সিলেটের বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়িতে পু’লিশের নি’র্যা’তনে নি’হত রায়হান আহম’দ হ’ত্যার মূ’ল অ’ভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে (সাময়িক বরখাস্তকৃত) গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রে’ফতার করে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে বি’ভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে সাধারন মানুষের মধ্যে ৷ গতকাল একটি ফেসবুক পেজের লাইভে এসে আকবরের গ্রে’ফতারের বি’ষয়টি পরিষ্কার করেছেন এসপি ফরিদ উদ্দিন৷

এসপি ফরিদ উদ্দিন বলেছেন, আকবরের গ্রে’ফতারের প্রক্রিয়াটি ছিল একটি ফুটবল ম্যাচের মত৷ বল এক জায়গা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন জায়গায় পাস দিতে দিতে রহিমের কাছে গেছে৷ মনে রাখতে হবে, এই রহিমের কাছে বলটি নিয়ে যাওয়া পযর্ন্ত আরো আট দশজন খেলোয়ার বলটি খেলেছে৷

৮৯ মিনিট খেলেছে পু’লিশ ১ মিনিটে গোল করেছে রহিম৷ আকবরকে গ্রে’ফতারের যে বিশাল পরিকল্পনা এটা কিন্তু সাধারন মানুষ দেখে নাই৷ সাধারণ মানুষ দেখেছে শুধু ঘ’টনার শেষ অংশটি৷

তিনি আরো বলেন মুল ধারার বাহিরা কিছু ইউটিউব ফেসবুক মিডিয়া এইসব খবরকে বিভ্রান্ত করে প্রচার করেছে। যা সত্য তা প্রকাশ পাবেই।আকবর গ্রে’ফতার প্রস’ঙ্গে জে’লা পু’লিশের বক্তব্য-

গতকাল সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯ টার সময় সিলেট জে’লার কানাইঘাট উপজে’লার বাংলাদেশ- ভারত সীমান্তবর্তী ‘ডুনা’ এলাকা থেকে ব’রখাস্তকৃত এসআই আকবরকে সিলেট জে’লা পু’লিশ গ্রে’ফতার করে।

আ’সামি গ্রে’ফতারের ক্ষেত্রে পু’লিশ বিভিন্ন সময়ে বিশ্বস্ত সো’র্স কিংবা মাধ্যম ব্যবহার করে থাকে যারা আ’সামির অবস্থান এবং চলাফেরা সম্প’র্কে ত’থ্য দিয়ে থাকেন। এসআই আকবরের গ্রে’ফতারের ক্ষেত্রেও সিলেট জে’লা পু’লিশ একইভাবে একাধিক সো’র্স এবং মাধ্যম ব্যবহার করেছে যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তার গ্রে’প্তারে সহায়তা করেছেন। কৌশলগত কারণে সো’র্স এবং মাধ্যম সম্প’র্কে কোন ত’থ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে কেউ কেউ বি’ষয়টাকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন, যা কা’ঙ্ক্ষিত নয়। সিলেট জে’লা পু’লিশ সবসময়ই জনগণের আস্থা এবং আ’কাঙ্ক্ষার প্রতি শ্র’দ্ধা রেখে সেবা প্রদান করে থাকে। এ বি’ষয়ে সকলের সহায়তা একান্তভাবে কাম্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here