বর্তমানে দেশের প্রচলিত স’রকার কাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে মামুনুল হকদের শায়েস্তা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা জানান।

স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘খেলাফতে মজলিশ নামক একটি দলের এক নেতা এই কুলাঙ্গার মামুনুল হকের পক্ষে যেভাবে সাফাই গাইলো, এতে বোঝা যায় দ্বীনে ইসলাম শুধুই এদের বেচে থাকার জন্য একটি মাধ্যম। ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মনে রাখা প্রয়োজন স্বাধীনতা যু’দ্ধে এই দেশের জনগণ এদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদের ছাড়াই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল শ’ক্তির স’ঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ছি’নিয়ে এনেছিল। কিছু এতিম শি’শুকে রাখে বলে এরা অনেকের সহানুভূতি পায়।’

‘এরা দেশের প্রচলিত স’রকার কাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে, এদের কিভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে। পিতার ভাস্কর্য অ’পমানিত করার পর থেকে, এদের স্পর্ধার শুরু। এখন ১৭টি লা’শের উপরে চলছে এদের “রিফ্রেশমেন্ট” জীবন।’

‘আ’গুন যারা জ্বা’লিয়েছে, পিতার ছবিতে হাত যারা দিয়েছে, এদের একটা একটা করে ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে। সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, সর্ব পর্যায়ে এই কাঠমোল্লা গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামী লীগ বানের জলে ভেসে আসে নাই।

গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনীতি করতে চায় করবে। কিন্তু ধর্ম ব্যবসা করে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বা’লানোর পরিণাম এদের বোঝাতে হবে। আ’গুন স’ন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত ছাড় পায় নাই। এই ধর্ম ব্যবসায়ীরাও ছাড় পাবে না। ইনশাল্লাহ।’

বর্তমানে দেশের প্রচলিত স’রকার কাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে মামুনুল হকদের শায়েস্তা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা জানান।

স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো- ‘খেলাফতে মজলিশ নামক একটি দলের এক নেতা এই কুলাঙ্গার মামুনুল হকের পক্ষে যেভাবে সাফাই গাইলো, এতে বোঝা যায় দ্বীনে ইসলাম শুধুই এদের বেচে থাকার জন্য একটি মাধ্যম। ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মনে রাখা প্রয়োজন স্বাধীনতা যু’দ্ধে এই দেশের জনগণ এদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদের ছাড়াই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে, আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল শ’ক্তির স’ঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ছি’নিয়ে এনেছিল। কিছু এতিম শি’শুকে রাখে বলে এরা অনেকের সহানুভূতি পায়।’

‘এরা দেশের প্রচলিত স’রকার কাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসন ও আইনের অধীনে না আসলে, এদের কিভাবে শায়েস্তা করতে হবে তা আমাদের জানা আছে। পিতার ভাস্কর্য অ’পমানিত করার পর থেকে, এদের স্পর্ধার শুরু। এখন ১৭টি লা’শের উপরে চলছে এদের “রিফ্রেশমেন্ট” জীবন।’

‘আ’গুন যারা জ্বা’লিয়েছে, পিতার ছবিতে হাত যারা দিয়েছে, এদের একটা একটা করে ধরে আনা হবে, আইনের সম্মুখীন করা হবে। সামাজিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, সর্ব পর্যায়ে এই কাঠমোল্লা গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামী লীগ বানের জলে ভেসে আসে নাই।

গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনীতি করতে চায় করবে। কিন্তু ধর্ম ব্যবসা করে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বা’লানোর পরিণাম এদের বোঝাতে হবে। আ’গুন স’ন্ত্রাস করে বিএনপি-জামায়াত ছাড় পায় নাই। এই ধর্ম ব্যবসায়ীরাও ছাড় পাবে না। ইনশাল্লাহ।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here