টানা ৩৮ দিন ধরে শ্ব’শুরের যৌ’ন লা’লসা’র শি’কার হয়েছেন এক পুত্রবধূ। শরীয়তপুরের সখিপুর থা’নায় এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় জড়িত শ্ব’শুর গিয়াস উদ্দিন ঢালীকে সোমবার সকালে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। গিয়াস উদ্দিন ঢালী (৫৫) সখিপুর থা’নার চরপাইয়াতলী বেলায়েত হোসেন

সরদারকান্দি গ্রামের ‘মৃত সোনামিয়া ঢালীর ছেলে।

রোববার রাতে ধ’র্ষ’ণের শি’কার পুত্রবধূ বাদী হয়ে সখিপুর থা’নায় মা’ম’লা করেন।

মা’ম’লার অভিযোগে গৃহবধূ উল্লেখ করেন, ‘২০১৭ সালে গিয়াস উদ্দিন ঢালীর ছেলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর কাজের উদ্দেশ্যে আমার স্বামী ঢাকা

চলে যান। কাজের জন্য ঢাকায় থাকেন স্বামী। বাড়িতে একই ঘরে থাকি আমরা সবাই। গত ২৮ মে রাতে শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর এক খাটে শুয়েছিল। খাটের পাশে মাটিতে

বিছানা করে ঘুমিয়ে ছিলাম আমি। ওই দিন ঘুমানো অবস্থায় গ’ভীর রা’তে আমার মুখ চে’পে ধ’রে কেউ একজন, চোখ মেলে দেখি শ্বশুর আমার বুকের ওপর। চি’ৎকা’র

করতে চাইলে মু’খ চে’পে ধরেন তিনি। সেই সঙ্গে মে’রে ফেলার হু’মকি দিয়ে আমাকে ধ’র্’ষণ করে।’

এরপর ২৮ মে রাত থেকে শুরু করে ৬ জুলাই পর্যন্ত প্রায় রা’তে আমাকে ধ’র্ষ’ণ করেছে শ্ব’শুর গিয়াস উদ্দিন। খু’ন হওয়ার ভ’য়ে ও ল’জ্জায় কাউকে বিষয়টি জানাতে পারিনি।

অবশেষে উপায় না পেয়ে রোববার রাতে থা’নায় মা’ম’লা করেছি আমি।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সখিপুর থা’না পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, পুত্রবধূ মা’ম’লা দায়েরের পর শ্বশুর গিয়াস উদ্দিন ঢালীকে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছে।

এরপর ২৮ মে রাত থেকে শুরু করে ৬ জুলাই পর্যন্ত প্রায় রা’তে আমাকে ধ’র্ষ’ণ করেছে শ্ব’শুর গিয়াস উদ্দিন। খু’ন হওয়ার ভ’য়ে ও ল’জ্জায় কাউকে বিষয়টি জানাতে পারিনি।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ধ’র্ষ’ণের শি’কার না’রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ক’রানো হয়েছে। ধ’র্ষ’ক গিয়াস উদ্দিন ঢালীকে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here