কর্মব্যস্ত এই জীবনে নারী-পুরুষ সবাই ক্যারিয়ারের পিছনে ছু’টছে। আজকাল অ’বশ্য বিয়ের বয়স নারীরাও অনায়াসে টেনে নিয়েছে ৩০-এর কো’ঠায়।

ফলে বিয়ের পর পরিবার প’রিকল্পনায় স্বা’ভাবিকভাবেই কিছুটা দে’রি হয়। আর এই দেরির হাত ধরেই আসে অনেক রকমের জ’টিলতা।

ভারতীয় স্ত্রী’রোগ বিশেষ’জ্ঞ মা’র্থা হাজরার মতে, আজকাল গর্ভস্থ শি’শুর জেনেটিক অ’সুখ প্র’তিরোধে বিশেষ ইঞ্জে’কশন বেরিয়েছে, যা প্র’সূতিকে দেয়া হয়।

এছাড়াও প্রি প্রে’গন্যান্সি কা’উন্সেলিংয়ের হাত ধরে পরিবার পরি’কল্পনা করলে প্রথম থেকেই কিছু জ’রুরি বিষয়ে স’চেতন হওয়া যায়।

প্রাথমিক বি’পদ অনেকটা কা’টানো যায়। জেনে রাখা ভাল, সুস্থ সন্তান পেতে গেলে কী’ কী’ করবেন, কী’ কী’ কাজে থাকবে নিষে’ধাজ্ঞা- রইল সে সবের হদিশ।

থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং: বিয়ের আগেই র’ক্ত পরীক্ষা করানোর কথা নানা ভাবেই প্র’চারিত। অবশ্যই বিয়ের সময় এই পরীক্ষা করান। এইচআইভির সঙ্গে থ্যালাসিমিয়ার জন্যও এই পরীক্ষা খুব প্র’য়োজনীয়।

পিসিওডি: এটি মূলত লাইফস্টাইল ডিজিজ। বেশির ভাগ মেয়ের ক্ষে’ত্রেই খাওয়াদাওয়ার অনিয়মে রাশ টানলে, বাইরের ভাজাভুজি কম খেলে, একটি নি’র্দিষ্ট ও স্বাস্থ্যকর ডায়েট মানলে এই অ’সুখ পা’লায়।

কিন্তু বাড়াবাড়ি রকমের সম’স্যায় তা থেকে প্রস্রাবে সংক্র’মণ চলে আ’সতে পারে। গর্ভ’ধারণেও স’মস্যা হতে পারে, তাই মেদ ঝরিয়ে নিজেরকে ঝরঝরে করে রাখার পাশাপাশি এই অ’সুখ থাকলে একটু নিয়ম মে’নে চলুন।

ফার্টাইল পিরিয়ড মিথ: পিরিয়ড শুরু এক সপ্তাহ আগে ও শেষ হওয়ার পর ১০ দিন হল ফা’র্টাইল পি’রিয়ড। এমনিতে ফার্টাইল পি’রিয়ডে নিয়মিত শারী’রিক সুস্থ স’ম্পর্কের প’রাম’র্শ দেয়া হয়। তবে আধুনিক চি’কিসাবিজ্ঞানে বলা হয় ‘আ’দর্শ ফার্টাইল পিরিয়ড’ বলে সে অর্থে কিছু হয় না।

সাধারণত একটি নির্দি’ষ্ট সময়কে এমন ধ’রা হলেও শা’রীরিক অবস্থা অনুযায়ী এই নিয়ম কিছুটা বদ’লায়। অনেকেরই পি’রিয়ড অ’নিয়মিত হয়। তেমনটা হলে চিকি’ৎসকের পরা’ম’র্শ প্রয়োজন। র’ক্তের সিরাম এলএইচ মেপে বা আলট্রাসাউন্ড করে চিকিৎসক জা’নাতে পারবেন কখন ডি’ম্বাণু বের হবে। সেই বুঝে শা’রীরিক স’ম্পর্কের দ’রকার পড়বে।

অ্যানিমিয়ার চিকিৎ’সা: হবু মায়ের অ্যানিমিয়া থাকলে অব’শ্যই চিকিৎ’সকের পরা’ম’র্শ নিন। বাজারচলতি আয়রন ক্যাপসুল না খাওয়াই বাঞ্ছনীয়। কাজেই আন্দাজে না এগিয়ে, চিকিৎ’সকের পরা’ম’র্শ মেনে তবেই র’ক্তাল্পতার স’ঙ্গে ল’ড়াই করুন।

চিকেন প’ক্সের স্ক্রিনিং: ভেরিসেলা বা চিকেন পক্সে’র স্ক্রিনিং করান। রোগের প্র’তিরোধ কম থাকলে প্রতি’ষেধক দেয়ার পর তবেই আসবে গর্ভ’ধারণের প্র’শ্ন। না হলে গর্ভপাত, সময়ের আগে প্রসব ও সন্তানের জন্মগত ত্রুটি থাকার শ’ঙ্কা থাকে। তবে অধিকাংশ নারীরই এই রোগের বিরু’দ্ধে জো’রদার প্র’তিরোধ থাকে।

কী’ করবেন না… জি’রো জা’ঙ্ক: আধুনিক গবেষণা জা’নান দিয়েছে, অ’তিরিক্ত পরিমাণে জা’ঙ্ক ফুড শুক্রাণু ও ডি’ম্বাণুরও ক্ষ’তি করে। তাই ওভারির কা’র্যকারিতা বাড়াতে ও মে’দবাহুল্য কমিয়ে শু’ক্রাণুকেও স’ক্রিয় করে তুলতে জা’ঙ্ক ফুড ও ঠান্ডা পানীয়কে বাদ দিন।

ম’দ-সিগারেট: জাঙ্ক ফুডের মতোই ম’দ-সিগারেট খেলে ডি’ম্বাণু ও শু’ক্রাণুর ক্ষ’তি হওয়ার আশ’ঙ্কা খুব বেশি। কাজেই নে’শা ছা’ড়ার চেষ্টা করুন। শুধু ধূমপান নয়, স’র্বনাশ ডেকে আ’নতে পারে অ’তিরিক্ত টেনশনও।যৌ’ন রোগ: স্বামী বা স্ত্রী’, জি’নঘটিত কারণে কারো কোনো রকম যৌ’ন অ’সুখ থাকলে অ’বশ্যই গ’র্ভধারণের আগেই চি’কিৎসকের পরাম’র্শ নিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here