ধ’র্ষণের পর মৃ’ত্যু নিশ্চিত হলে লরির কেবিনে তুলে নেয়া হয় তরুণীকে। পু’লিশ রি’মান্ডে ধ’র্ষকরা জানিয়েছে, জাতীয় সড়ক দিয়ে লরিতে করে তরুণীর দেহ

নিয়ে যাওয়ার পথে চারজন আবার ধ’র্ষণ করেন তাকে। এরপর স্কুটি থেকে তাকে ফেলে দেয়া হয়। জোগাড় করা হয় পেট্রল। পরে স্থানীয় এক ব্রিজের নিচে নিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয় তরুণীর ম’রদেহ।

ওই তরুণীর সম্পূর্ণ অ’গ্নিদ’গ্ধ দেহ উ’দ্ধার করা হয়। একটি লকে’টের সূত্র ধরেই তার দেহ শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। ভারতের
হায়দরাবাদে তরুণী চিকিৎসককে গণধ’র্ষণে হ’ত্যার পর লা’শ পু`ড়িয়ে ফেলার ঘটনায়

অ’ভিযুক্ত চারজনকে গ্রে’ফতার করে রি’মান্ডে নিয়েছে পু’লিশ।রি’মান্ডে তারা জানিয়েছে মৃ’ত্যুর পরও লরির কেবিনে ওই তরুণীকে একে একে চারজনই ধ’র্ষণ করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদপ্রতিদিন এ তথ্য জানায়।পূর্ব পরিকল্পনামাফিক আলিয়াস প্রমাণ সরিয়ে ফেলতে ধ’র্ষণের পর পেট্রল ঢেলে গায়ে আ’গুন লাগিয়ে দেয়া হয় মৃ’তের শ`রীর।

পু’লিশ জানায়, বুধবার সকালে হায়দরাবাদের সামশাবাদ টোলপ্লাজার সামনে স্কুটি রাখেন ওই তরুণী চিকিৎসক। সেখানে এক চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে টোলপ্লাজার সামনে আসেন তরুণী চিকিৎসক। তিনি দেখেন, তার স্কুটির চাকা পাংচার হয়ে গেছে। সেইসময় দুজন লরিচালক এবং খালাসি তরুণীর কাছে আসেন। তারা তার স্কুটির চাকা সারিয়ে দেয়ার কথা বলেন। তাদের কথায় বিশ্বা’স করেন তরুণী চিকিৎসক।স্কুটি সারাতে নিয়ে যান দুজন। কিন্তু গ্যারেজ বন্ধ থাকার কথা বলে স্কুটি নিয়ে ফিরে আসেন তারা।

সেই সময় বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন চিকিৎসক। তিনি শেষবারের মতো বোনকে বলেন, তার ভয় লাগছে। তারপর থেকে তরুণী চিকিৎসকের ফোন সুইচড অফ হয়ে যায়।তরুণীকে টেনেহিঁচড়ে অন্য জায়গায় নিয়ে যায় ধ’র্ষকরা। এরপর স্কুটি থেকে তাকে ফেলে দেয়া হয় রপর সেখানে একে একে চারজন ধ’র্ষণ করেন তাকে। সেখানে এক চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here