শ’রীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সে’ক্স বাড়াতে স’ক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শ’রীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে।

আর তা আপনার শ’রীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়’ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সে’ক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি।

আপনি যৌ’ন মি’লনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়’ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য স’ম্পর্কে যা আপনার শ’রীরে সে’ক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।

দু’ধ :
বেশি পরিমাণ প্রা’ণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌ’নজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দু’ধ, দু’ধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়।

কিন্তু আপনি যদি শ’রীরে সে’ক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগু’লিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

ঝিনুক :
আপনার যৌ’নজীবন ময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃ’দ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌ’ন-ইচ্ছা বাড়ায়।

ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌ’নজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জেনে নিন শসার গুনাগুণ ( বিস্তারিত) বি’ষাক্ত পদার্থ দূর করে :

দেহের বর্জ্য ও বি’ষাক্ত পদার্থ অপসারণে দারুণ কাজ করে শসা। নিয়মিত শসা খেলে কিডনির পাথর প্রতিরোধসহ বহু উপকার পাওয়া যায় ভিটামিন ও পুষ্টি :

শসাতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন এ, সি, ই, কে, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন,ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংকসহ অনেক পুষ্টি উপাদান। এসব উপাদান শ’রীরকে নানা রো’গ থেকে দূরে রাখে। ক্যান্সার প্রতিরোধ শসার নানা উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল নামের তিনটি উপাদান থাকে। জরায়ু, স্ত’ন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁ’কি কমায় এই তিন উপাদান।

ওজন কমায় :
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরি রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

পানিশূন্যতা দূর :
গ্রীষ্মকালে পানির তৃষ্ণা মেটাতে শসা খুবই কার্যকর। একটি শসা প্রায় ৯০ শতাংশ পানি ধারণ করায় খুব দ্রুত আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে। দেহের দু’র্বলতা কাটিয়ে তুলতে পারে অনায়াসে।

অস্থিসন্ধির ব্য’থামুক্তি :
শসায় প্রচুর সিলিকা থাকে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক এসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে শ’রীরের অনেক ধরনের ব্য’থা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

কোলেস্টেরল নিয়’ন্ত্রণ :
শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়’ন্ত্রণ করে।

পানিশূন্যতা দূর :
গ্রীষ্মকালে পানির তৃষ্ণা মেটাতে শসা খুবই কার্যকর। একটি শসা প্রায় ৯০ শতাংশ পানি ধারণ করায় খুব দ্রুত আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে। দেহের দু’র্বলতা কাটিয়ে তুলতে পারে অনায়াসে।

অস্থিসন্ধির ব্য’থামুক্তি :
শসায় প্রচুর সিলিকা থাকে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক এসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে শ’রীরের অনেক ধরনের ব্য’থা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

কোলেস্টেরল নিয়’ন্ত্রণ :
শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়’ন্ত্রণ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here