জ’র্জেট লেপলের মেয়ে ছাড়া পরি’বারের কোনো সদস্য জীবিত না থাকার কারণে তিনি মু’হাম্মাদের স্ত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। মুহাম্মাদ ও তার স্ত্রী’র এক ছেলে ও ২ মেয়ের ছোট্ট পরিবারের স’ঙ্গী। বেলজিয়ামের প্র’বীণ নারী নাগরিক জ’র্জেট লেপলের বয়স ৯২ বছর। ইসলামের সৌন্দর্য দেখে প্রতি’বেশির অনুপ্রেরণায় তিনি ৯২ বছর বয়সে পবিত্র ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

প্রবীণ নারী জর্জেট লেপল-এর শেষ ৫০ বছরের প্রতিবেশি মুহাম্মাদ ও তার পরিবার। জর্জেট লেপল মুহাম্মাদের পরিবারের সঙ্গে থাকাকালীন সময়ে কাছ থেকে দেখেন তাদের প্রার্থনা ও ইসলামে রীতিনীতি। এগুলোই তাকে ইসলাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে তোলে। জর্জেট লেপল লক্ষ্য করেন, মুসলিম পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে কীভাবে কথা বলে, তার খোঁজ-খবর কীভাবে রাখে।

অথচ মু’হাম্মাদের পরিবার তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে এবং সার্বক্ষণিক যত্ন নেয়। তাদের এ সদ্ব্যহার তাকে ইসলামের প্রতি আ’কৃষ্ট করে তোলে।তাদের পা’রস্পরিক সহযোগিতা, সেবা-যত্ন ও প্রার্থনা দেখে তার খুবই ভালো লেগেছিল। জর্জেট পেপল বলেন, ‘তার নিজের মেয়ে রয়েছে কিন্তু সে মেয়ে তাকে ডাকে না, তার খোঁজ-খবরও রাখে না।

তবে জর্জেট পেপল জীবনের শেষ সময়ে এসে ইসলামের সন্ধান পেয়েও আল্লাহর কৃ’তজ্ঞতা জ্ঞা’পন করেন। তিনি মুহাম্মাদের পরিবারের স’ঙ্গে মরক্কো থেকে ব্রাসেলসে ফিরে আসেন। তিনি ব্রাসেলস মসজিদে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘নূর ইসলাম’।

রমজান মাসে জর্জেট পেপল এই মুসলিম পরিবারের সঙ্গেই মরক্কো ভ্রমণ করেন। সেখানে তিনি অনেক লোকের এক সঙ্গে রোজা পালন করতে দেখেন এবং একে অপরের যত্ন ও মেহমানদারি করতে দেখেন।মরক্কো থাকাকালে তিনি এ চিন্তা করে হতবাক হয়ে যান যে, জীবনের শেষ সময়ে এসে তিনি ইসলামের সৌন্দর্য দেখতে পেলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here