এনজিও বাংলাদেশে গ্রাম গঞ্জে সবথেকে পরিচিত একটি নাম। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে এনজিও থেকে টাকা তুলে এমন নজির পাওয়া খুব ক’ষ্ট সাধ্য হবে। খামা’রি থেকে কৃষক বেস’রকারী চাকুরিজীবী থেকে ব্যবসায়ী থেকে সবাই কম বেশি ইনকাম সোর্স হা’রিয়েছে।

আর এই মুহুর্তে কিস্তির টাকা যেন ম’রার উপরে খাড়া হতে পারে।তাইতো দেশের জনগণের কথা ভেবে স’রকার সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে কিস্তির টাকার জন্য চা’প সৃষ্টি করা যাবে নাহ দেশের এ অব’স্থায় দেশের এনজিওগুলোকে আগামী জুন পর্যন্ত ঋ’ণের কিস্তি না নিতে নির্দে’শ দিয়েছে

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। সেইস’ঙ্গে জুনের পর ওই কিস্তির ও’পর নতুন কোনো জ’রিমানা নেওয়া যাবে না বলেও নির্দে’শ দেওয়া হয়েছে জা’না গেছে, রোববার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালক মোহাম্মাদ ইয়াকুব হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রা’ন্ত নির্দে’শনা

এনজিওগুলোর কাছে পা’ঠানো হয়েছে। এ বি’ষয়ে একাধিক এনজিও’র স’ঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দে’শনা পাওয়ার বি’ষয়টি নি’শ্চিত হওয়া যায়।এমআরএ’র ওই নির্দে’শনায় বলা হয়, করোনাভা’ইরাসের কারণে বিশ্ব বাণিজ‌্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্র’ভাব প’ড়েছে।

এ অব’স্থায় ক্ষুদ্রঋ’ণ প্রতিষ্ঠানের ঋ’ণ গ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বা’ভাবিক অর্থনৈতিক ক’র্মকাণ্ডও বা’ধাগ্রস্ত হওয়ার আশ’ঙ্কা দেখা দিয়েছে।উদ্ভূ প’রিস্থিতিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি সিদ্ধা’ন্ত নিয়েছে যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি

অথরটি বিধিমালা ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋ’ণের শ্রেণিমান যা ছিল, পর্যন্ত উক্ত ঋ’ণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোনো ঋ’ণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে। নির্দে’শনার চিঠি পাওয়ার বি’ষয়টি নি’শ্চিত করে বেস’রকারি সংস্থা আর্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শামসুল আলম বলেন, এর ফলে আগামী জুন পর্যন্ত কোনো ঋ’ণ গ্রহীতা কিস্তি না দিলে তাকে চা’প দেওয়া যাবে না।

সেইস’ঙ্গে নির্ধারিত সময় শেষে কোনো প্রকার জ’রিমানা ছাড়াই বকেয়া কিস্তি গ্রহণ করে ঋ’ণ শ্রেণিকরণ ক’রতে হবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here