দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নেই কোনো পর্যটকের আনাগোনা। সাড়ে ৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে পর্যটন এলাকার হোটেল-মোটেল থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু জনশূন্য বিশ্বের দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকত সয়লাব হয়ে গেছে শত শত টন বর্জ্য।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে সরেজমিন গিয়ে এই দৃশ্য দেখা গেছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, দরিয়ানগর থেকে শুরু করে হিমছড়ি সৈকত এলাকা পর্যন্ত শনিবার রাত থেকে ভেসে আসছে এ সব বর্জ্য। এত বর্জ্য হঠাৎ কোথা থেকে এল তা অনুসন্ধান শুরু করেছে প্রশাসন।

এ সব বর্জ্যের মধ্যে শুধু প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিক পণ্য নয়, ভেসে এসেছে শত শত বিভিন্ন প্রকারের মদের বোতল। এতে আটকে মারা যাচ্ছে কাছিমসহ সামুদ্রিক নানা ধরনের প্রাণী। পাশাপাশি চরমভাবে দূষণের কবলে পড়ছে পরিবেশ।

ইতিমধ্যে মারা গেছে সামুদ্রিক কচ্ছপসহ কয়েক প্রকারের প্রাণী। আবার আটকেপড়া অনেক জীবিত কচ্ছপকে সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

সেভ দ্য নেচার অব বাংলাদেশ নামের কক্সবাজারভিত্তিক পরিবেশ সংগঠনের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসাইন জানান, শনিবার রাত থেকে এ সব বর্জ্য আসতে শুরু করেছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি তিনি শোনার সঙ্গে সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বর্জ্যগুলো কোথা থেকে এল এবং কিভাবে তা অপসারণ করা যায় তা দেখা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here