সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরে নেমেই ওই তরুণী জানতে পারেন তাকে যৌ’নক’র্মী হিসেবে চার লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর সেখান থেকে মালিকের বাড়িতে যাওয়ার পর পরই শুরু হয় নি’র্যা’তন। প্র’তিনিয়ত ধ’র্ষ’ণ, মা’রধ’র আর অ’নাহারে একপর্যায়ে অসু’স্থ হয়ে প’ড়েন।

বিয়ের ৭ মাসের মাথায় স্থা’নীয় আদম ব্যাপারী মোস্তফা কামালের প্র’লোভনে চলতি বছরে সৌদি আরবে পাড়ি জমান ২০ বছর বয়সী আছমা (ছ’দ্মনাম)। তখন তাকে গৃ’হক’র্মী র কাজ

দেওয়ার কথা বলা হলেও ৪ লাখ টাকায় যৌ’নকমী হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছল জীবনের আশায় রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে স্বামীকে রেখে সৌদির পথ ধ’রেন।

তবে সে স্ব’প্ন ভে’ঙে চু’রমা’র হয়ে যায় যখন তিনি সৌ’দিতে পৌঁছান। এমন ঘ’টনার এক পর্যায়ে সৌ’দি পু’লিশ তাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গত ২৬ নভেম্বর সৌ’দি আরব থেকে দেশে ফেরেন ওই তরুণী। দেশে ফেরার দুদিন পর শ্রীnমঙ্গলের ‘মু’ক্তি মেডিকেয়ার’ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানেই এমন নি’র্যাতনের কথা তুলে ধ’রেন ওই তরুণী।

চিকি’ৎসাধীন ওই তরুণীর স’ঙ্গে সংবাদমাধ্যমের কথা হলে সৌ’দি আরবে নি’র্যাতনের ভ’য়ংক’র বিবরণ দেন তিনি। তার ভাষায়, যৌ’ন’ক’র্মে রাজি না হলে

তার ওপর চালানো হতো অ’মানবিক নি’র্যা’তন। একটি অফিসে রেখে প্রতিদিন কয়েকজন পালাক্র’মে তাকে ধ’র্ষণ ক’রতেন বলে জা’নান তিনি।জ্বল’ন্ত সি’গারেট দিয়ে আমা’র বুক, স্প’র্শকাতর জায়গা ওরা পু’ড়িয়ে দিয়েছে।

তার দিয়ে বেঁধে পি’টিয়ে হাত-পা ও উ’রুতে জ’খম করে দিয়েছে। দ’লবেঁধে ৪/৫ জন মিলে ধ’র্ষণ করত, তখন জ্ঞা’ন হারিয়ে ফেলতাম।২০ বছর বয়সী ওই তরুণীর বাড়ি কমলগঞ্জ উপজে’লার সীমান্তবর্তী ৯ নম্বর ইসলামপুর ইউনিয়নে। বর্তমানে অর্থের অভাবে চিকিৎ’সা অসমাপ্ত রেখেই গতকাল রোববার তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।

মু’ক্তি মেডিকেয়ার’ হাসপাতালের প্রধান সে’বিকা দীপ্তি দত্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়েটার যৌ’না’ঙ্গসহ শ’রীরের বিভিন্ন জায়গায় পোড়া ও আ’ঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ক্ষ’ত’গুলো সারতে সময় লাগবে। মান’সিকভাবে ওই তরুণীর অ’সু’স্থ’তার কথা জা’নিয়ে হা’সপাতলের চিকি’ৎসক সাধন চ’ন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘মাঝে মাঝে আ’ত’ঙ্কগ্রস্ত হয়ে আবল-তাবল বকছে।

দ্রু’ত তাকে মা’নসিক চি’কিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। ওই তরুণীর মা বলেন, ‘আমা’র ভালো মেয়ে বিদেশ থেকে এসেছে আ’ধ’ম’রা হয়ে। টাকা রোজগারের আশায় গেল, একটি টাকাও ওকে দেওয়া হ’য়’নি। এদিকে দেশে থাকা ওই তরুণীর স্বা’মী নি’র্যা’তনের কথা ‘আদম ব্যাপারী’ মোস্তফাকে জা’নালে তিনি ‘মি’থ্যা কথা’ বলে উড়িয়ে দেন।

তরুণীর স্বামী পু’লিশ ও সাংবাদিকের ভ’য় দেখালে তিনি দা’বি করেন, যে বাড়িতে কাজ পেয়েছিলেন, সেখান থেকে দুই হাজার ২০০ রিয়াল নিয়ে পালিয়ে গেছেন ওই তরুণী। শেষ পর্যন্ত কমলগঞ্জ উপজে’লা প্রশা’সনের শরণাপ’ন্ন হন ওই তরুণীর স্বামী। প্র’শাসনের তৎপরতায় ছয় মাস ২৬ দিন পর বাংলাদেশ সরকার, দূতাবাস ও প্রবাসী ক’ল্যাণ ডে’স্কের সহায়তায় দেশে ফেরেন তার স্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here