বিয়ের পরে থেকেই স্বা’মীর স’ন্দে’হ শুরু হয়েছিল। স্ত্রীর মাঝে মধ্যেই ফোনে কথা, লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করতে যাওয়ার খবর আগেই পেয়েছিলেন সবলু শর্মা। শেষে স্ত্রী’কে শান্তি দিতে বড় সি’দ্ধান্ত নিলেন তিনি।আসানসোলের চন্দ্রচূড় মন্দিরে নিজের স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বা’মী। জানা গিয়েছে, পেশায় প্লাস্টিক কারখানার কর্মী আসানসোলের গোপালপুরের বাসিন্দা সবলু শর্মার স’ঙ্গে নিতুদেবীর বিয়ে হয় প্রায় ৪ বছর আগে। দম্পতির তিন বছরের এক কন্যাস’ন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের কয়েক দিন পরেই স্থানীয় এক যুবক সুনীল চৌধুরীর স’ঙ্গে সম্প’র্কে জড়ান নিতু। পরে সবলু গোটা বি’ষয়টি জেনে যান। এই নিয়ে দম্পতির মধ্যে প্রায়শই বচসা চলত। কিন্তু নিতু প্রে’মিক সুনীলকে ছাড়তে কিছুতেই রাজি ছিলেন না। নিতুর স’ঙ্গে প্রায়ই দেখা করতেন সুনীল। মোবাইলেও যোগাযোগ ছিল দু’জনের।

শেষে উপায় না মে’য়ে নিতুর স্বা’মী সবলু নিলেন এক বড় সি’দ্ধান্ত। সুনীলের স’ঙ্গেই নিজের স্ত্রী নিতুর বিয়ে দিতে রাজি হয়ে যান তিনি। বি’ষয়টি পাড়া-প্রতিবেশীরা জানলে নিতুকে খা’রাপ ভাববে, তাই অত্যন্ত গো’পনে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের গোটা ব্যবস্থাটা আয়োজন করেন সবলু নিজেই। স্থানীয় একটি মন্দিরে গো’পনে বিয়ে সারা হয়। হাসতে হাসতে প্রে’মিক সুনীলের স’ঙ্গে বিবাহ মেনে নেনে নিতু।

আরোও পড়ুনঃ স্বা’মী স্ত্রী’র মাঝে ব’য়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত জানেন?
স্বা’মী স্ত্রী’র মাঝে ব’য়সেরঃ শ’রীর কাঠামো বা ফিগা’রেরে রয়েছে গোল্ডেন অনুপাত।এ কথাটি শুধু শ’রীরের ক্ষেত্রেই নয়, বরং বিয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। স্বা’মী-স্ত্রী’র স’ম্পর্ক ও ভালোবাসা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভর করে দু`জনের উচ্চতা, ব’য়স ও বেতনসহ বিভিন্ন বি’ষয়ের ও’পর।

তবে যারা প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, তাদের কথা আলাদা। তারা হয়তো চাইলেও আর কোনো মানদ’ণ্ডে প্রে’মিক বা প্রে’মিকাকে বিচার করবেন না। কিন্তু যারা প্রেম না করে বিয়ে করছেন তাদের ক্ষেত্রে ব’য়স, উচ্চতা ও বেতন একটি বড় বিবেচনার বি’ষয় হয়ে দাঁড়ায়।

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক বিয়ের ক্ষেত্রে স্বা’মী-স্ত্রী’র এসব বি’ষয়ে ব্যবধান কেমন হওয়া উচিত?সম্প্রতি স্বা’স্থ্য বি’ষয়ক একটি ওয়েবসাইটে লিখিত একটি প্রবন্ধে এ স’ম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। প্রবন্ধে শুধু ব’য়সের ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে তা নয়, দু`জনের উচ্চতা ও বেতনের ব্যবধান এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে সুস’ম্পর্ক রাখাসহ বিভিন্ন বি’ষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

ব’য়সের ব্যবধান: প্রে’মিক-প্রে’মিকা বা স্বা’মী-স্ত্রী’র মধ্যে ব’য়সের আদর্শ ব্যবধান ধ’রা হয় ৩ বছরকে। সাধারণত মে’য়েরা মনের দিক দিয়ে তুলনামূ’লকভাবে একটু আগেই পরিপক্কতা লাভ করে। আর স্বা’মী-স্ত্রী’র মধ্যে মা’নসিক মিল থাকা’টা জরুরি।

তাই মনে করা হয় যে, স্বা’মী যদি স্ত্রী’র চেয়ে ৩ বছরের বড় হয় তবে দু`জনের মা’নসিক পরিপক্কতা সমান হবে। তা ছাড়া, ৩ বছর বড় হলে স্বা’মী একটু আগে পড়ালেখা শেষ করে কোনো একটা পেশা বেছে নেবে এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবে।

এটাও ব’য়সের ব্যবধান ৩ রাখার একটা কারণ। এখানে একটা বি’ষয় উল্লেখযোগ্য যে, কি’শোর ব’য়সে মে’য়েদের মা’নসিক বিকাশ ছেলেদের তুলনায় দ্রু’ত হয়। কিন্তু ২০ থেকে ৩০ বছর সময়কালটায় এ ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না।
বউ

উচ্চতার অনুপাত: প্রথমে স্বা’মী-স্ত্রী’ বা প্রে’মিক-প্রে’মিকার আদর্শ উচ্চতার বি’ষয়টি জানা যাক। স্বা’মী-স্ত্রী’র মধ্যে উচ্চতার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যবধান হচ্ছে ১২ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ স্বা’মী বা প্রে’মিককে হতে হবে ১২ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা। কেন? কারণ, এতে নাকি প’রস্পরকে আলি’ঙ্গন করা ও চুমু খাওয়ায় সুবিধা হয়।

এ স’ম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত হচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মে’য়ে সাধারণত নিজেকে সযত্নে রক্ষা করতে চান। স্বা’মী বা প্রে’মিকের উচ্চতা বেশি হলে, তিনি অনেক বেশি নিরাপদবোধ করেন। আসলে ছেলেদের উচ্চতা সাধারণতভাবে মে’য়েদের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে ১০ সেন্টিমিটার বেশি হলে, দেখতে সুন্দর লাগে; মানানসই মনে হয়।

এই ব্যবধান দু`পক্ষের লি’ঙ্গ পরিচয়কেও আরও স্পষ্ট করে তোলে। স্বা’মী বা প্রে’মিককে তখন অনেক বেশি ম্যানলি মনে হয় এবং স্ত্রী’ বা প্রে’মিকাকে আরও বেশি কমনীয় ও সুন্দর লাগে। উচ্চতার ব্যবধানটি অ’তিরিক্ত হলে দেখতে ভালো দেখায় না।

বেতনের অনুপাত: বেতন বা আয়ের ব্যাপারটা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোন কোন জরিপ অনুসারে, স্বা’মীর বেতন বা আয় স্ত্রী’র দেড় গুণ হলে ভালো। এতে পরিবারের সু’খের সূচক বাড়ে। আজকাল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বা’মী ও স্ত্রী’ দু`জনই চাকরি করেন বা আয় করেন।

তবে ঐতিহ্যবাহী ধারণার প্রভাবে অনেকের মতামতা এমন যে, পরিবারে স্বা’মীর আর্থিক দায়িত্ব বেশি বহন করা উচিত। তাই স্ত্রী’র চেয়ে স্বা’মীর আয় বেশি হওয়া আবশ্যক বলেই অনেকে মনে করেন। এতে এক দিকে স্বা’মীর মুখ রক্ষা হবে, অন্যদিকে স্ত্রী’র নিরাপত্তাবোধ বাড়বে। তবে, এ ব্যবধান যত বেশি হবে তত ভালো।

শ্বশুর-শ্বাশুড়ী প্রস’ঙ্গ: আজকালকার ছেলে-মে’য়েরা প্রবীণদের স’ঙ্গে বসবাস করতে চান না। অথচ বাবা মা`র যত্নে আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক দম্পতি নিজেদের মতো করে থাকতে চান; গড়তে চান নিজস্ব একটা ভূবন। যেখানে অন্য কেউ থাকবে না। তারা চান, তাদের বিবা’হিত জীবনের গুণগত মান উন্নত করতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here