জামালপুরের ওএসডি হওয়া ডিসি আহমেদ কবীরের গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে একটি বাসাবাড়িতে বসে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘কতদিন পরে এলে’ এবং সুবীর সেনের ‘এত সুর আর এত গান’ গান দুটি গাইতে শোনা যায়।

এসময় উপস্থিত কয়েকজন তার গান শুনছিলেন। কেউ কেউ মোবাইল ফোনে তা ভিডিও করেন। যার একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।৫ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে গান গাইতে থাকা ডিসি আহমেদ কবীরের পাশে তার স্ত্রী’কেও দেখা যায়।

এদিকে, না’রী অফিস সহায়কের স’ঙ্গে আ’পত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘ’টনায় ওএসডি করা হয়েছে আহমেদ কবীরকে। রোববার (২৫ আগস্ট) তাকে ওএসডি করেজনপ্রশাসন ম’ন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়

এদিকে আহমেদ কবীরের বি’রুদ্ধে ওঠা অ’ভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বি’রুদ্ধে দৃষ্টান্তমূ’লক শা’স্তি দেয়া হবে বলে দুপুরে স’চিবালয়ে সাংবাদিকদের স’ঙ্গে আলাপকালে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

ত’দন্তের পর ওই না’রীর বি’রুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জে’লায় একজন ডিসি অনুকরণীয় ব্যক্তি। তার কাছ থেকে এ রকম অ’নৈতিক কর্মকাণ্ড কাম্য নয়। তার বি’রুদ্ধে ত’দন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূ’লক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো শা’স্তি তার হবে। আমাদের চাকরির বিধানে ক’ঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে। সেটিই হবে। আশা করছি আমরা দ্রু’ত একটা সি’দ্ধান্ত নিতে পারব।ফরহাদ হোসেন বলেন

আহমেদ কবীরকে এর আগে শুদ্ধাচার পদক দেয়া হয়েছিল। সেটি ফিরিয়ে নেব। যাতে এ ধরনের কাজ ভবি’ষ্যতে অন্য কেউ না করতে পারে। তিনি জানান, আগামীতে জে’লা প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে নৈতিকতা বিবেচনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জামালপুরের ডিসি অ’নৈতিক কাজ করেছেন। প্রাথমিক ত’দন্তের ভিত্তিতে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অধিকতর ত’দন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সময় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি যে না’রীর নাম এসেছে তাকেও ত’দন্তের আওতায় আনা হবে।

এ ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ত’দন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সূত্র:সময় নিউজ।এই বিসয় আর ও পড়ুননিজ অফিসে না’রী সহকর্মীর স’ঙ্গে অ’নৈতিক কাজ করায় জামালপুরের বি’তর্কি’ত জে’লা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরকে বিশেষ ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। এবার ত’দন্ত করে সেই না’রী সহকর্মীর বি’রুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। রোববার দুপুরে স’চিবালয়ে সাংবাদিকদের স’ঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন তিনি।

জে’লায় একজন ডিসি অনুকরণীয় ব্যক্তি, তার কাছ থেকে এরকম অ’নৈতিক কর্মকাণ্ড কাম্য না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাথমিক ত’দন্তের ভিত্তিতে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হযেছে। অধিকতর ত’দন্তের ত’দন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূ’লক ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি যে না’রীর নাম এসেছে তাকেও ত’দন্তের আওতায় আনা হবে। ফরহাদ হোসেন বলেন, আহমেদ কবীরকে এর আগে শুদ্ধাচার পদক দেয়া হয়েছিল। সেটা ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে

আগামীতে ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে নৈতিকতা বিবেচনা করে নিয়োগ দেয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই উদাহরণ সৃষ্টি করার মতো পানিশমেন্ট তার হবে। আমাদের চাকরির বিধানে ক’ঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়ে গেছে। সেটিই হবে। আমরা খুব দ্রু’ত একটা সি’দ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবো। প্রস’ঙ্গত, গত ১৫ আগস্ট বিকেলে ‘খন্দকার সোহেল আহমেদ’ নামের একটি পাবলিক ফিগা’র ফেসবুক পেজ থেকে জে’লা পর্যায়ের সর্বোচ্চপদধারী এই স’রকারি কর্মকর্তা আহমেদ কবীরের তার অফিসেই একজন না’রীর স’ঙ্গে অ’বৈধ মেলামেশার এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়।

ফেসবুক আইডি থেকে এটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ব্যাপক হারে নজরে আসতে থাকে ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারীদের কাছে। এদিকে শুক্রবার ভোররাত থেকে র’হস্যজনক কারণে ওই আইডির ওয়াল থেকে ভিডিও লিংকটি সরিয়ে নেয়ায় স’ন্দে’হ আরো দানা বেঁ’ধে উঠেছে। এমন ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। ৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে যে কক্ষটি দেখা যাচ্ছে সেটি জামালপুরের জে’লা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অফিস কক্ষে তার চেয়ারের ঠিক ডান পাশের ছোট একটি কক্ষ।

ছোট এই কক্ষটিতে একটি ছোট খাট বসানো হয়েছে। কক্ষটি বেশ পরিপাটি দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটিতে পুরু’ষ ব্যক্তিটিই জে’লা প্রশাসক আহমেদ কবীর। আর যে না’রীকে দেখা যাচ্ছে তিনি এই জে’লা প্রশাসকের মাধ্যমেই সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া একই অফিসের একজন অফিস সহায়ক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here