ভু’লেও স্ত্রীর এই ৪ জায়গায় হাত দেবেন না, দিলেই মহাবি’পদ। জেনে নিন কোন ৪ টি জায়গা।
বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘ’টনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।

দিনের শেষে ছেলে-মেয়েদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফে’লে লড়াই করে যাওয়া মানুষটি হল বাবা। ছেলে-মেয়ে বড়ো হবে, নিজেরা প্রতিষ্ঠিত হবে, জীবনে উন্নতি করবে তাদের এই লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় অবদান যে বাবাদেরই।

এদিকে সম্প্রতি একটি নতুন গবে’ষণায় দেখা গেছে মে’য়ের বাবারা বেশিদিন বাঁচে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, মে’য়েরা বাবার জন্য বেশি আ’নন্দ নিয়ে আসে যা বাবার আয়ু বাড়িয়ে দেয়।

বাচ্চা জ’ন্মানোর সময় পিতার স্বা’স্থ্য এবং শ’রীর কীভাবে প্রভাবিত হয় তা নিয়ে গবে’ষণা করতে গিয়ে এই ত’থ্য পাওয়া গেছে। জাজিলোলোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় এই গবে’ষণা চা’লায়। ৪,৩১০ জনেরও বেশি লোকের কাছ থেকে ত’থ্য সংগ্রহ করা হয়, যার মধ্যে ২,১৭৭ জন মা ও ২,১৬৩ জন বাবা ছিলেন।

ত’থ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যাদের ছেলে স’ন্তান আছে সেইসব পিতাদের ও’পর কোনও ধরণের প্রভাব ফে’লেনি। তবে যাদের কন্যা রয়েছে তারা দীর্ঘায়ু হয়েছে।
সমীক্ষায় আরও দাবি করা হয়েছে যে, যে বাবার যত বেশি কন্যা স’ন্তান, সে তত বেশি বাঁচেন। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, প্রতিটি কন্যা স’ন্তানের জন্য ৭৪ সপ্তাহ বা ৫১৮ দিন বা প্রায় দুই বছর বেশি বাঁচে।

অন্য এক গবে’ষণায় দেখা গেছে, যাদের স’ন্তান নেই তাদের থেকে যাদের স’ন্তান রয়েছে সেই দম্পতি বেশি দিন বাঁচে।
ডিম ফ্রিজে রাখছেন না তো?

বর্তমানে ঘরে ঘরে ফ্রিজ থাকায় বেশি করে ডিম কিনে সংরক্ষণের প্রবণা বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজে ডিম রাখলে তাতে ডিমের স্বা’স্থ্য ঠিক থাকলেও আপনার স্বা’স্থ্যের ক্ষ’তি হচ্ছে। তারা বলছেন ফ্রিজের ভিতর ডিম রাখলে তা স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকারক। পুষ্টিবিদদের মতে, ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্যরও বেশ খানিকটা নিচে থাকে বলে এখানে খাবার-দাবার রাখা নিরাপদ। কিন্তু ডিমের ক্ষেত্রে ব্যপারটা ঠিক উল্টো।

ফ্রিজে ডিম রাখলে তার মধ্যে এক ধরনের ক্ষ’তিকর ব্যাকটিরিয়া জ’ন্ম নেয়। আমাদের মধ্যে রেশিরভাগই ফ্রিজ থেকে ডিম বের করেই রান্না করে ফেলি। তাপমাত্রার পরিবর্তন না ঘটায় ওই সব ক্ষ’তিকর ব্যাকটিরিয়া ডিমের মধ্যে জীবিত অবস্থাতেই থাকে। ফলে খাদ্যে বি’ষক্রিয়া বা নানা রকমের সং’ক্র’মণের আ’শঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। পেটের স’মস্যাও হতে পারে এর থেকেই। এজন্য ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে বাইরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অনেক ক্ষণ রেখে ডিম রান্না করলে বি’পদের ঝুঁ’কি খানিকটা কম। কিন্তু সং’ক্র’মণের আ’শঙ্কা একটা থেকেই যাচ্ছে।

এ দিকে বেশি দিন বাইরে রাখলেও তো ডিম ন’ষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে উপায়? উপায় আছে। বিশেষজ্ঞরা এই স’মস্যার খুব সহজ সমাধান বের করেছেন। ডিম কিনুন অল্প সংখ্যায়, ঠিক যত টুকু প্রয়োজন বা দু’-এক দিনেই যাতে সব রান্না করে ফেলা যায়। আর ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে বাইরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় খানিকক্ষণ রেখে তবেই রান্না করুন। তাহলেই আর কোনও সং’ক্র’মণের আ’শঙ্কা থাকবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here