পাহাড় ধসে পরা গর্তের মধ্যে বড় বড় মাছ যেন হৈ হুল্লোড় ব্যপার রইল ভিডিও

মাছ তো সবায় ধরেন কিন্তু এমন সব পদ্ধতিতে কি কখনো ধরেছেন। বর্ষার নতুন পানিতে মাছ ধরা পড়ে বেশ। পানি বাড়লেই মৎস্যজীবীদের তৎপরতা বাড়ে। এ সময় তাঁদের কাছে চাহিদা বাড়ে মাছ ধরার ফাঁদ বা চাঁইয়ের। ।

ভারতীয় সমুদ্রে একেবারে উপকূলবর্তী অঞ্চল হওয়ায় বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক সম্পদের অধিকারী। বাংলাদেশের প্রায় ৪১,০০০ বর্গমাইল এর অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে, যা দেশটির আয়তনের ৭৩%।

অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যাসম্পন্ন বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র ও উন্নয়নশীল দেশ। পূর্বে বাংলাদেশের মানুষেরা স্থলজ আমিষের উপর অধিক নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু শিল্পায়ন ও নগরায়নের ক্রমাগত প্রক্রিয়া সীমিত স্থল এলাকাই অধিগ্রহণ করে ফেলছে।

তাই এখন বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রগর্ভে উৎপাদিত আমিষ ছাড়া দেশটির চাহিদা পূরণের খুব বেশি উপায় অবশিষ্ট নেই। বাংলাদেশীদের খাবারের ৮০ শতাংশের বেশি আমিষ আসে মাছ থেকে।

মাছের দেহ ওজনের শতকরা ৬-৮ শতাংশে হারে ৩৫-৪০ শতাংশ আমিষযুক্ত সম্পূরক খাবার দিনে ৩ বার দিতে হবে। এ জন্য সকাল, দুপুর ও বিকেলে দিতে হবে। যথাযথ নিয়মে পরিচর্যা করলে ৬ মাসের মধ্যে কৈ মাছ গড়ে ৪০-৫০ গ্রাম হয় এবং প্রতি শতাংশে ৮-১০ কেজি উৎপাদন পাওয়া যায়।

দেহ সম্মুখে প্রায় চোঙাকৃতির এবং পশ্চাতে চাপা। শোল মাছের মাথা দেখতে সাপের মত। শোল মাছ ১ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ শোল দেখতে ঘন বাদামি রঙের হয়, সারা গায়ে কালো ডোরা থাকে।

সুস্বাদু এই মাছ মানবদেহের হাড় ও মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে, রুচিও বাড়ায়। ১০০ গ্রাম শোল মাছে আছে ৯৪ ক্যালরি, ১৬ দশমিক ২ গ্রাম প্রোটিন, ১৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, শূন্য দশমিক ৫ মিলিগ্রাম আয়রন, ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

তাই এখন বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রগর্ভে উৎপাদিত আমিষ ছাড়া দেশটির চাহিদা পূরণের খুব বেশি উপায় অবশিষ্ট নেই। বাংলাদেশীদের খাবারের ৮০ শতাংশের বেশি আমিষ আসে মাছ থেকে।

মাছের দেহ ওজনের শতকরা ৬-৮ শতাংশে হারে ৩৫-৪০ শতাংশ আমিষযুক্ত সম্পূরক খাবার দিনে ৩ বার দিতে হবে। এ জন্য সকাল, দুপুর ও বিকেলে দিতে হবে। যথাযথ নিয়মে পরিচর্যা করলে ৬ মাসের মধ্যে কৈ মাছ গড়ে ৪০-৫০ গ্রাম হয় এবং প্রতি শতাংশে ৮-১০ কেজি উৎপাদন পাওয়া যায়।

দেহ সম্মুখে প্রায় চোঙাকৃতির এবং পশ্চাতে চাপা। শোল মাছের মাথা দেখতে সাপের মত। শোল মাছ ১ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ শোল দেখতে ঘন বাদামি রঙের হয়, সারা গায়ে কালো ডোরা থাকে।

সুস্বাদু এই মাছ মানবদেহের হাড় ও মাংসপেশি গঠনে সাহায্য করে, রুচিও বাড়ায়। ১০০ গ্রাম শোল মাছে আছে ৯৪ ক্যালরি, ১৬ দশমিক ২ গ্রাম প্রোটিন, ১৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, শূন্য দশমিক ৫ মিলিগ্রাম আয়রন, ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম।

About admin

Check Also

বাইক চা,লানোর নামে যুবতীর স্প’র্শ’কা’ত’র স্থানে হাত, মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বাইক বা গাড়ি কিনতে ভা,লোবাসেন। যদিও বাইক চা’লানো অনেকের পছন্দের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *