আসপিয়াকে ঘর ও চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ভূমিহীন হওয়ায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি না পাওয়া সেই আসপিয়া ইসলাম কাজলকে (১৯) সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ ও চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া স্যার শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ফোন দেন। তিনি আমাকে বলেছেন, আসপিয়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আসপিয়া যেন কনস্টেবল পদে চাকরি পেতে পারে সেজন্য সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর আসপিয়ার জন্য ঘর নির্মাণে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বকুল চন্দ্র কবিরাজকে সরকারি জমি খুঁজতে বলেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক।

হিজলা উপজেলা ইউএনও বলেন, আসপিয়ার বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক স্যার আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। আসপিয়ার জন্য ঘর নির্মাণে বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খাসজমি ঘুরে দেখেছি। উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে কয়েক শতাংশ জমি পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক স্যারের মতামত পেলে সেখানে ঘর নির্মাণ করা হবে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আসপিয়া ইসলাম যেন পুলিশ কনস্টবল পদে চাকরি পেতে পারেন সেজন্য ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বরিশাল জেলায় পুলিশ কনস্টেবল পদে অনলাইনে আবেদন করলে গত ১৪, ১৫ ও ১৬ নভেম্বর বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সে শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন আসপিয়া ইসলাম।

গত ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলেও উত্তীর্ণ হন। এরপর ২৪ নভেম্বর একই স্থানে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধা তালিকায় পঞ্চম হন আসপিয়া। ২৬ নভেম্বর জেলা পুলিশ লাইনে চিকিৎসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এতেও উত্তীর্ণ আসপিয়া। সবশেষ ২৯ নভেম্বর ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন সেন্ট্রাল হাসপাতালে চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়। সেখানেও উত্তীর্ণ হন এই তরুণী।

চূড়ান্ত নিয়োগের আগে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আসপিয়া ও তার পরিবারকে ‘ভূমিহীন’ উল্লেখ করা হয়। কারণ তিনি বরিশাল জেলার স্থায়ী বাসিন্দা নন। এই নিয়োগের অন্যতম শর্ত ছিল বরিশাল জেলার স্থায়ী হতে হবে।

হিজলা উপজেলা ইউএনও বলেন, আসপিয়ার বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক স্যার আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। আসপিয়ার জন্য ঘর নির্মাণে বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খাসজমি ঘুরে দেখেছি। উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে কয়েক শতাংশ জমি পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক স্যারের মতামত পেলে সেখানে ঘর নির্মাণ করা হবে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আসপিয়া ইসলাম যেন পুলিশ কনস্টবল পদে চাকরি পেতে পারেন সেজন্য ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বরিশাল জেলায় পুলিশ কনস্টেবল পদে অনলাইনে আবেদন করলে গত ১৪, ১৫ ও ১৬ নভেম্বর বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সে শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন আসপিয়া ইসলাম।

গত ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলেও উত্তীর্ণ হন। এরপর ২৪ নভেম্বর একই স্থানে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধা তালিকায় পঞ্চম হন আসপিয়া। ২৬ নভেম্বর জেলা পুলিশ লাইনে চিকিৎসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এতেও উত্তীর্ণ আসপিয়া। সবশেষ ২৯ নভেম্বর ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন সেন্ট্রাল হাসপাতালে চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়। সেখানেও উত্তীর্ণ হন এই তরুণী।

চূড়ান্ত নিয়োগের আগে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আসপিয়া ও তার পরিবারকে ‘ভূমিহীন’ উল্লেখ করা হয়। কারণ তিনি বরিশাল জেলার স্থায়ী বাসিন্দা নন। এই নিয়োগের অন্যতম শর্ত ছিল বরিশাল জেলার স্থায়ী হতে হবে।

সূত্রঃ bd24report

About admin

Check Also

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড কারবালার ঘটনাকেও হার মানিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

১৫ আগস্ট ভোরে নৃশংসভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতক। খুব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *