তাহসান, মিথিলা ও ফারিয়া নজরদারিতে, যেকোনও সময় গ্রেফতার: ডিসি রমনা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পী তাহসান, অভিনেত্রী মিথিলা ও শবনম ফারিয়া পুলিশের নজরদারিতে রয়েছেন। যেকোনও সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি’র রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান।

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) রমনা উপ-কমিশনার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির একজন গ্রাহক আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলার প্রতিবেদন ধানমন্ডি থানায় এসেছে। সে মোতাবেক পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। মামলায় অভিযুক্ত ৯ আসামি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। যেকোনও সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে।

তিন লাখ ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ এবং প্রতারণার অভিযোগে গত ৪ ডিসেম্বর ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছাদূত কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান, অভিনেত্রী মিথিলা এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শবনম ফারিয়ার নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন সাদ রহমান নামে এক ভুক্তভোগী।

রাজধানীতে ৬২ বছর বয়সী আতিয়ার রহমানকে অপহরণের অভিযোগে মো. আশিকুর রহমান (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে গাইবান্ধার বামন ডাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব ৪ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মোজাম্মেল হক এ তথ্য জানান।

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘৭ ডিসেম্বর মিরপুরের মনিপুরে ছেলে জামিউল ইসলাম জীবনের বাসা থেকে মহাখালীতে আসাদুল হক নামে একজনের সঙ্গে দেখা করতে যান আতিয়ার রহমান। এর পর নিখোঁজ হন তিনি। এ ব্যাপারে মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ছেলে জীবন। পরে র‌্যাব-৪ এর সহায়তা চাওয়া হয়। বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে অপহরণের অভিযোগে আশিকুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আশিকুর রহমান জানান, একটি কাজের বিষয়ে আতিয়ার ও আসাদুলের সহযোগিতা চান আশিকুর রহমান এবং মহাখালীতে আসতে বলেন। তিতুমীর কলেজের সামনে আসার পর আতিয়ার ও আসাদুলকে কয়েকজন মিলে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয় এবং হাত পেছন থেকে বেঁধে ফেলে। পরে মাইক্রোবাসে তাকে আব্দুল্লাহপুর নিয়ে যায়। এ সময় ভিকটিমের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ কেড়ে নেয় তারা।

আশিকুর আরও জানান, এক পর্যায়ে তারা ভিকটিমকে নিয়ে গাইবান্ধা যায় এবং একটি বাড়িতে আটকে রাখে। সেখান আশিকুর ও পলাতক আসামি মারুফ আল-আমিন নির্যাতন চালায় আতিয়ার রহমানের ওপর এবং মোবাইলের মাধ্যমে পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

মুক্তিপণ না দেওয়া হলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ভিকটিমের পরিবার কোনও মুক্তিপণ না দেওয়ায় ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে আতিউর রহমানকে একটি খেলার মাঠের দিকে নিয়ে যায় তারা এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে র‌্যাব ভোরের দিকে বামনডাঙ্গা রেল স্টেশনের পাশের খোলা মাঠ থেকে আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে।

About admin

Check Also

ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বিদেশির ‘দুর্ব্যবহার’, ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের অধীন থাকা রাওয়া ক্লাবের সামনের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্যকে লক্ষ্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *