এক জীবনে ৬৫ বার বিয়ে করে প্রতিবার বাসর রাতে উধাও হয়ে যান এই যুবতী

জী’বনে বিয়ে ক’রেছেন মোট ৬৫ বার। আর বি’য়ের পর ৬৫ জন স্বামীর স’ঙ্গে রাতও কা’টিয়েছেন এক নারী। কিন্তু প্রত্যে’কবারই ঘ’টেছে এক অ’দ্ভুত ঘটনা।ভা’রতীয় সংবাদমাধ্যম ক’লকাতা ২৪*৭ এর এক প্র’তিবেদন থেকে জানা গেছে, প্র’তিটি বিয়ের পরে ফু’লশয্যা শেষ হলেই এই না’রীটি উধাও হয়ে যেতেন।

এমনই এক প্রতা’রণার অ’ভিযোগে গ্রে’ফ’তার হ’য়েছেন ভা’রতের উত্তরাঞ্চলের বা’সিন্দা এক নারী। ধনৌরির এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, হরিদ্বারের জ্বালাপুর এলাকার এক ব্যক্তি পূজা না’মক এক না’রীর সঙ্গে তার বিয়ের জন্য সম্ব’ন্ধ ঠিক ক’রেছিলেন।

ওই নারী অ’ত্যন্ত গরীব হও’য়ায় ওই ব্যক্তির প’রিবারের কাছ থেকে ৫০ হা”জার টাকা ধার চে’য়েছিল বিয়ের আগে। এরপর একটি কো’র্টে তাদের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পরেই ফুলশয্যা শেষ হতেই না’রীটি সমস্ত গয়না, উ’পহার এবং টাকা নিয়ে পা’লিয়ে যায় সেখান থেকে।

এমনকি ওই ব্য’ক্তির অ’ভিযোগ অনুষ্ঠানে যে ব্যক্তি না’রীর বাবা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনিও নকল বাবা সেজে’ছিলেন। এছাড়াও কনেপক্ষের অন্যান্য সদস্য’দেরকেও সাজিয়ে আনা হয়েছিল।

ভোরবেলা এই দৃ’শ্য দেখে হতবাক এই নারীর সদ্য বি’বাহিত স্বামী। এরপর তার বি’রুদ্ধে তারা অ’ভি’যোগ জানান তিনি। জানা গেছে, নারী এবং তার আ’সল স্বামী মিলে একটি প্রতা’রণার ফাঁদ পেতেছিল।তারা এমন যুবকের খোঁজ করত যারা নারীটিকে দেখে মুগ্ধ হয় এবং বি’য়ে করতে রাজি হয়।

এরপর না’রীটি নিজেকে গ’রিব বলে পরিচয় দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আ’দায় করত।অন্যদিকে তাদের বিয়ে এক’টি কোর্টে দেয়া হতো এবং সেখান থেকেই মেয়েটি নতুন শ্বশুর’বাড়িতে রওনা দিতে। এরপর রাত কাটতে না কাটতেই না’রীটি উধাও হয়ে যেত।

শেষ যাকে সে বিয়ে করে তার কাছ থেকে পালিয়ে মেয়ে’টি রাজস্থানে যায় এবং এরপরও নাকি সে বি’য়ে করেছিল। যে ব্যক্তিকে ফাঁকি দিয়ে নারীটি পালায় তারা মেয়ে’টির খোঁজ করতে গিয়ে জানতে পারে যে সেই মেয়েটি এবং তার আসল স্বামী একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত। সেখানে তা’দেরকে খুঁজে না পে’য়ে শেষমেশ তারা পু’লিশের দ্বারস্থ হয়।

এমনকি ওই ব্য’ক্তির অ’ভিযোগ অনুষ্ঠানে যে ব্যক্তি না’রীর বাবা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনিও নকল বাবা সেজে’ছিলেন। এছাড়াও কনেপক্ষের অন্যান্য সদস্য’দেরকেও সাজিয়ে আনা হয়েছিল।

ভোরবেলা এই দৃ’শ্য দেখে হতবাক এই নারীর সদ্য বি’বাহিত স্বামী। এরপর তার বি’রুদ্ধে তারা অ’ভি’যোগ জানান তিনি। জানা গেছে, নারী এবং তার আ’সল স্বামী মিলে একটি প্রতা’রণার ফাঁদ পেতেছিল।তারা এমন যুবকের খোঁজ করত যারা নারীটিকে দেখে মুগ্ধ হয় এবং বি’য়ে করতে রাজি হয়।

এরপর না’রীটি নিজেকে গ’রিব বলে পরিচয় দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আ’দায় করত।অন্যদিকে তাদের বিয়ে এক’টি কোর্টে দেয়া হতো এবং সেখান থেকেই মেয়েটি নতুন শ্বশুর’বাড়িতে রওনা দিতে। এরপর রাত কাটতে না কাটতেই না’রীটি উধাও হয়ে যেত।

শেষ যাকে সে বিয়ে করে তার কাছ থেকে পালিয়ে মেয়ে’টি রাজস্থানে যায় এবং এরপরও নাকি সে বি’য়ে করেছিল। যে ব্যক্তিকে ফাঁকি দিয়ে নারীটি পালায় তারা মেয়ে’টির খোঁজ করতে গিয়ে জানতে পারে যে সেই মেয়েটি এবং তার আসল স্বামী একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত। সেখানে তা’দেরকে খুঁজে না পে’য়ে শেষমেশ তারা পু’লিশের দ্বারস্থ হয়।

About admin

Check Also

দীঘি আমার ছোট বোন: তৌহিদ আফ্রিদি

একসময়ের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী দীঘি এখন প্রাপ্তবয়স্ক নায়িকা। ইতোপূর্বে নায়িকা হিসেবে তারঅভিষেক হয়েছে। কাজ করেছেন কয়েকটি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.