বাবা থেকেও না থাকা! মা মানসিক ভারসাম্যহীন, অভাবের তাড়নায় শেষমেশ রিক্সা চালাচ্ছে যুবতী

জীবিকা নির্বাহ করার জন্য মানুষ কত পথ অবলম্বন করে। অনেকে যোগ্যতা কিংবা পরিশ্রম করেও পছন্দের পেশা বেছে নিতে পারেন না। আবার কেউ কেউ সংসার চালানোর তাগিদে নানান নিগুঢ় কাজকর্ম করে থাকেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিন কত কিছুই না ভাইরাল হয়। এবার এমনই এক কষ্টদায়ক ভিডিও দেখা গেল “বাংলার মুখ” ইউটিউব চ্যানেলের সৌজন্যে। রুমানা নামের এক তরুণী সংসার চালাতে রিক্সা টানছেন।

একটি যুবতী মেয়ে চোখে তার হাজারো স্বপ্ন। তার মনে অনেক আশা রয়েছে কিন্তু সেগুলো পূরণ করার জন্য পাশে কেউ নেই। ছেলেবেলা থেকে দেখে আসছেন অভাবের সংসার। নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায়। বাবার আয়-রোজগার তেমন ভালো নয় । এদিকে আবার বাবা হার্টের রোগী।

তার চিকিৎসা খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। শারীরিক অসুস্থতার জন্য যে দোকানে কাজ করতেন সেখান থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন সবে কলেজ পাস করেছেন রুমানা। বাড়িতে এর ছোট ভাই মায়ের শরীর খুব ভালো নয়। তাই বিকল্প আয়ের পথ দেখতে হবে একমাত্র মেয়েকে।

রুমানা বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। বাবার একটি হাতে টানা রিকশা রয়েছে। সেটি নিয়ে কয়েক দিন রাস্তায় চালায়। প্রথমদিকে রাস্তায় বার কতক পড়ে গিয়েছিলেন। তবে হাল ছাড়েননি। দিন কয়েকের মধ্যেই রিকশা চালানো শিখে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। কত মানুষের বোঝা বহন করেন।

প্রতিদিন 60 থেকে 70 টাকা আয় হয়। তা দিয়েই বাবার চিকিৎসার খরচ ভাইয়ের পড়াশুনা আর সংসারের যাবতীয় খরচাপাতি চলে। এভাবেই নিজের সর্বস্ব জলাঞ্জলি দিয়ে সংসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন রুমানা। মেয়ে নয় একজন পুরুষের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তিনি।

একটি যুবতী মেয়ে চোখে তার হাজারো স্বপ্ন। তার মনে অনেক আশা রয়েছে কিন্তু সেগুলো পূরণ করার জন্য পাশে কেউ নেই। ছেলেবেলা থেকে দেখে আসছেন অভাবের সংসার। নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায়। বাবার আয়-রোজগার তেমন ভালো নয় । এদিকে আবার বাবা হার্টের রোগী।

তার চিকিৎসা খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। শারীরিক অসুস্থতার জন্য যে দোকানে কাজ করতেন সেখান থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন সবে কলেজ পাস করেছেন রুমানা। বাড়িতে এর ছোট ভাই মায়ের শরীর খুব ভালো নয়। তাই বিকল্প আয়ের পথ দেখতে হবে একমাত্র মেয়েকে।

রুমানা বেরিয়ে পড়ে রাস্তায়। বাবার একটি হাতে টানা রিকশা রয়েছে। সেটি নিয়ে কয়েক দিন রাস্তায় চালায়। প্রথমদিকে রাস্তায় বার কতক পড়ে গিয়েছিলেন। তবে হাল ছাড়েননি। দিন কয়েকের মধ্যেই রিকশা চালানো শিখে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। কত মানুষের বোঝা বহন করেন।

প্রতিদিন 60 থেকে 70 টাকা আয় হয়। তা দিয়েই বাবার চিকিৎসার খরচ ভাইয়ের পড়াশুনা আর সংসারের যাবতীয় খরচাপাতি চলে। এভাবেই নিজের সর্বস্ব জলাঞ্জলি দিয়ে সংসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন রুমানা। মেয়ে নয় একজন পুরুষের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তিনি।

About admin

Check Also

মধ্যবিত্তদের সুখবর ১ লাখ টাকা কম সময়ে ব্যাংকে রাখলেই যেভাবে হবে ৩ লাখ

মধ্যবিত্তদের সুখবর – এবার অভিনব একটি স্কিম নিয়ে এসেছে সোনালী ব্যাংক। এই স্কিমে টাকা জমা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.