সকালবেলা প্রিয়া বৌদির ‘হট ব্যায়ামের’ ভিডিও তুমুল ভাইরাল, (ভিডিও)

ঘুম থেকে ওঠার পর সবারই প্রায় শরীর এক্সেসাইজ এর দরকার হয়, সকালবেলা শারীরিক ব্যায়াম করলে শরীরের গঠন শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে। তাই দেখা যায় প্রায় সব মানুষ সকালবেলা ব্যায়াম করে থাকে।

বর্তমান সময়ে ফেসবুকে একটি ব্যায়াম এর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, ওই ভিডিওতে দেখা যায় প্রিয়া বৌদি হলুদ ড্রেস পড়ে ব্যয়াম করছে, তার ওই ব্যায়ামের ভিডিওটি আমরা ফেসবুক থেকে শেয়ার করলাম।
ভিডিওটি উপভোগ করুন…

আরোও পড়ুন..’যেভাবে ঢাকাই চলচ্চিত্রে ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী’, সত্তর ও আ’শির দশকে বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শ’হুরে মধ্যবিত্ত বা উ’চ্চবিত্তরাও কবরীকে নি’জেদের মানুষ হিসেবে আপন করে নিয়েছিলেন।

আর সেজন্যেই ‘মিষ্টি মেয়ে’ নামে দ’র্শকদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। কৈশোর আর যৌবনের পাট চু’কিয়ে ফে’লার পরও ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে কবরীর সেই গ্রহণযোগ্যতা সবসময়ই ছিল। ২০১১ সালে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সা’ক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন :

‘এখনও দেখা হলে কেউ কেউ বলে, ‘আপনি ঠিক আ’গের মতই আছেন।’ কিন্তু কেউ কি কখনো একরকম থাকতে পারে! তখন আমি তাকে বলি যে, আপনি আমাকে ভী’ষণ ভা’লোবাসেন বলেই এরকম মনে হয়।’

অভিনেতা হিসেবে মানুষের হৃ’দয়ের কাছে যেতে পারা, মানুষের ভা’লোবাসার পাত্র হতে পারাটাই কবরীর সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন কবরীর স’মসাময়িক অভিনয় শিল্পী মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তার মতে, ‘কবরী তার অভিনয় দিয়ে মানুষকে যতটা প্র’ভাবিত করতে পেরেছেন, তেমনটা আর কেউ পারেননি। কবরীকে মানুষ মনে করতো, এই শিল্পীটা আ’মার শিল্পী। আমার কাছের মানুষ।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কবরীর মত মানুষের হৃদয়ের কা’ছাকাছি প্রিয় শিল্পী আর কেউ নেই।’ সি’নেমার পর্দায় বাংলাদেশি সা’ধারণ মেয়ে হিসেবে কবরীকে যেভাবে দেখা যেত, বাস্তবের গ্রামীণ নারী বা শহুরে মধ্যবিত্তের ঘরের মেয়ের চরিত্রটা ঠিক সেরকম ছিল।

অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজস্ব স্ব’কীয়তা ও সহজাত প্রবৃত্তি কবরীকে অ’ন্যদের চেয়ে আলাদা অবস্থান দিয়েছে বলে মনে করেন মাহমুদা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় জড়িত ছিলেন চ’লচ্চিত্র সাংবাদিকতার সাথে।

‘এখনও দেখা হলে কেউ কেউ বলে, ‘আপনি ঠিক আ’গের মতই আছেন।’ কিন্তু কেউ কি কখনো একরকম থাকতে পারে! তখন আমি তাকে বলি যে, আপনি আমাকে ভী’ষণ ভা’লোবাসেন বলেই এরকম মনে হয়।’

অভিনেতা হিসেবে মানুষের হৃ’দয়ের কাছে যেতে পারা, মানুষের ভা’লোবাসার পাত্র হতে পারাটাই কবরীর সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন কবরীর স’মসাময়িক অভিনয় শিল্পী মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তার মতে, ‘কবরী তার অভিনয় দিয়ে মানুষকে যতটা প্র’ভাবিত করতে পেরেছেন, তেমনটা আর কেউ পারেননি। কবরীকে মানুষ মনে করতো, এই শিল্পীটা আ’মার শিল্পী। আমার কাছের মানুষ।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কবরীর মত মানুষের হৃদয়ের কা’ছাকাছি প্রিয় শিল্পী আর কেউ নেই।’ সি’নেমার পর্দায় বাংলাদেশি সা’ধারণ মেয়ে হিসেবে কবরীকে যেভাবে দেখা যেত, বাস্তবের গ্রামীণ নারী বা শহুরে মধ্যবিত্তের ঘরের মেয়ের চরিত্রটা ঠিক সেরকম ছিল।

অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজস্ব স্ব’কীয়তা ও সহজাত প্রবৃত্তি কবরীকে অ’ন্যদের চেয়ে আলাদা অবস্থান দিয়েছে বলে মনে করেন মাহমুদা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় জড়িত ছিলেন চ’লচ্চিত্র সাংবাদিকতার সাথে।

https://www.facebook.com/watch/?v=1182518435492874

About admin

Check Also

দীঘি আমার ছোট বোন: তৌহিদ আফ্রিদি

একসময়ের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী দীঘি এখন প্রাপ্তবয়স্ক নায়িকা। ইতোপূর্বে নায়িকা হিসেবে তারঅভিষেক হয়েছে। কাজ করেছেন কয়েকটি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.