জানুয়ারির প্রথম দিন সব নতুন বই পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা

নতুন বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা সব নতুন বই পাবে না। যে কয়টি বই বাকি থাকবে সেগুলো জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাতুয়াইলে মৌসুমী প্রেস পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বছরের ৯৫ শতাংশ বই তৈরি হয়ে গেছে। বর্তমানে সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৫ শতাংশ বই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রাথমিকের প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। মাধ্যমিকের ২১ কোটি বই বাঁধাই হয়ে গেছে, বাকি ১৭ কোটির বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব বই বাঁধাই কাজ শেষ হবে। এরপরই সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই বইয়ের মান ঠিক থাকুক। যদি আমরা জানতে পারি কেউ বইয়ের মান খারাপ করেছে, সেটি চিহ্নিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকের মান ঠিক আছে কি না, সেটি নিশ্চিত হতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পক্ষ থেকে সপ্তাহে দু-তিন দিন করে মনিটরিং করা হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সেসব বই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেস, জনতা প্রেস ও প্রমা প্রেস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেরন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

নতুন বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা সব নতুন বই পাবে না। যে কয়টি বই বাকি থাকবে সেগুলো জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে বিতরণ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর মাতুয়াইলে মৌসুমী প্রেস পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন বছরের ৯৫ শতাংশ বই তৈরি হয়ে গেছে। বর্তমানে সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৫ শতাংশ বই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্কুলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রাথমিকের প্রায় সব বই জেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। মাধ্যমিকের ২১ কোটি বই বাঁধাই হয়ে গেছে, বাকি ১৭ কোটির বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সব বই বাঁধাই কাজ শেষ হবে। এরপরই সেগুলো স্কুল পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই বইয়ের মান ঠিক থাকুক। যদি আমরা জানতে পারি কেউ বইয়ের মান খারাপ করেছে, সেটি চিহ্নিত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তকের মান ঠিক আছে কি না, সেটি নিশ্চিত হতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পক্ষ থেকে সপ্তাহে দু-তিন দিন করে মনিটরিং করা হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সেসব বই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী মাতুয়াইলের মৌসুমী প্রেস, জনতা প্রেস ও প্রমা প্রেস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেরন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

About admin

Check Also

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড কারবালার ঘটনাকেও হার মানিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

১৫ আগস্ট ভোরে নৃশংসভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতক। খুব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *