যারা নৌকা করে তারা সব রাজাকারের বাচ্চা!

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আলী মাস্টারের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।সেই অডিও রেকর্ডে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিয়ে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

তিনি ফোন কলে বলেন, ‘যারা নৌকা করে তারা সব রাজাকারের বাচ্চা। কি করবেন এই দেশে রাজনীতি করে। যে দেশে টাকা দিলে নমিনেশন হয়, যে দেশে টাকা দিলে মন্ত্রীত্ব পাওয়া যাওয়া যায়, যে দেশে টাকা দিলে সব আকাম চলে।’

এক মিনিট ৪০ সেকেন্ডের সেই রেকর্ডে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা বিরোধী দল (বিএনপি) মামলা-হামলার ভয়ে মাঠে নামেন না। আমাদের (আওয়ামী লীগ) একচেটিয়া… একটি দলে কি একটা দেশ চলে? বিরোধী দল সব সময় স্ট্রং থাকতে হয়।

আপনারা দেবিদ্বারে কই? আপনারা মিছিল মিটিং করেন আমরা সুযোগ দেই, অসুবিধা কি? আপনারা সময় হলে একটু আন্দোলন করেন, তা না হলেতো হবে না। রাজনীতি করতে গেলে নেতৃত্ব দিতে হবে। নেতৃত্ব দিতে গেলে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে।’

সোমবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কল রেকর্ডটি কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আলী মাস্টার ও দেবিদ্বার বিএনপি দলীয় সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুহুলামিনের বলে জানা গেছে।তার এই বিতর্কিত বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

রওশন আলী মাস্টার তার ফোনকলের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘দেবিদ্বারে কিছু সুযোগ সন্ধানী লোক আওয়ামী লীগে যোগদান করে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি করে বেড়াচ্ছে,

তাদেরকে আমি রাজাকার বলেছি, এখনো বলবো। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার কথাকে খন্ডিত আকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা করবো।’

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো রুহুলামিন বলেন, ‘বক্তব্যটি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এটি শুনে আমি হতবাক হয়ে গেছি এবং কষ্ট পেয়েছি। একজন সিনিয়র নেতার পক্ষে এ ধরনের কথা বলা মোটেও উচিত নয়।’

সোমবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কল রেকর্ডটি কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আলী মাস্টার ও দেবিদ্বার বিএনপি দলীয় সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুহুলামিনের বলে জানা গেছে।তার এই বিতর্কিত বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

রওশন আলী মাস্টার তার ফোনকলের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘দেবিদ্বারে কিছু সুযোগ সন্ধানী লোক আওয়ামী লীগে যোগদান করে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি করে বেড়াচ্ছে,

তাদেরকে আমি রাজাকার বলেছি, এখনো বলবো। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার কথাকে খন্ডিত আকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা করবো।’

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো রুহুলামিন বলেন, ‘বক্তব্যটি আমি ফেসবুকে দেখেছি। এটি শুনে আমি হতবাক হয়ে গেছি এবং কষ্ট পেয়েছি। একজন সিনিয়র নেতার পক্ষে এ ধরনের কথা বলা মোটেও উচিত নয়।’

About admin

Check Also

রুমিন ফারহানাকে আটকের পর, ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে চোখ ধাধানো জবাব দিলেন।

বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানাকে পথে গাড়ি আটক করে রেখে দেয় পুলিশ। দীর্ঘ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *