আংটি বদল করলেন দুই বাঙালি নারী ডাক্তার, পরিবারও রাজি!

সারাজীবন একে অপরের সঙ্গে থাকবেন। এমনই প্রতিজ্ঞা করে গত সপ্তাহে নাগপুরে ‘প্রতিজ্ঞার আংটি বদল’ অনুষ্ঠান সারলেন দুই বাঙালি মহিলা চিকিৎসক- পারমিতা মুখোপাধ্যায় এবং সুরভি মিত্র। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রথম দেখাতেই প্রেম হয় তাদের। ১ বছর কোর্টশিপের পর এবার একে অপরকে আজীবনের বন্ধনে জড়িয়ে নিতে চলেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাত পাকে বাঁধা পড়ার। ভারতে সমকামী সম্পর্কে আইনি বাধা নেই।

তবে এখনও মেলেনি আইনি স্বীকৃতি। পারমিতা ও সুরভির মতে, তারা তাদের সম্পর্ককে পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সামনে স্বীকৃতি দিতে চাইছেন। তাদের এই সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে পরিবার।

নিজেদের স্বীকৃতিকে সরকারি বৈধতা থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন পারমিতা ও সুরভি। সংবাদসংস্থা এএনআইকে পারমিতা বলেন, ২০১৩ সাল থেকে বাবা জানতেন আমি নারীদের প্রতি আকৃষ্ট। সম্প্রতি আমি মাকে বিষয়টি জানাই। তিনি প্রথমে চমকে গেলেও পরে সুরভির কথা শুনে আমাদের সম্পর্ক মেনে নেন। কারণ তিনি আমাকে সুখী দেখতে চান।

সুরভি বলেন, আমি কখনো বলব না বাড়িতে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে লড়াই করতে হয়েছে। তারা আগে থেকেই আমার পছন্দ সম্পর্কে জানতেন। আমি পারমিতার কথা বাড়িতে জানালে ওরা খুব খুশি হন।

পেশায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সুরভির মতে, সমাজ কী ভাববে তা চিন্তা করার আগে নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিজেকে স্বীকার করতে হবে। অন্যের সামনে তা স্বীকার করার সাহস রাখতে হবে।

এমন অনেক মানুষ আমার কাছে আসেন যারা নিজেদের যৌন অভিযোজন নিয়ে সোচ্চার না হতে পেরে দ্বৈত জীবনযাপনে বাধ্য হন। সমর্থন না পেয়ে মুখোমুখি হন মানসিক সমস্যার। সে যাই হোক, শিগগিরই গোয়ায় চার হাত এক হবে দুই বাঙালি কন্যার। জমিয়ে বিয়ের প্ল্যানিংয়ে মেতেছেন এই হবু দম্পত্তি।

নিজেদের স্বীকৃতিকে সরকারি বৈধতা থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন পারমিতা ও সুরভি। সংবাদসংস্থা এএনআইকে পারমিতা বলেন, ২০১৩ সাল থেকে বাবা জানতেন আমি নারীদের প্রতি আকৃষ্ট। সম্প্রতি আমি মাকে বিষয়টি জানাই। তিনি প্রথমে চমকে গেলেও পরে সুরভির কথা শুনে আমাদের সম্পর্ক মেনে নেন। কারণ তিনি আমাকে সুখী দেখতে চান।

সুরভি বলেন, আমি কখনো বলব না বাড়িতে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে লড়াই করতে হয়েছে। তারা আগে থেকেই আমার পছন্দ সম্পর্কে জানতেন। আমি পারমিতার কথা বাড়িতে জানালে ওরা খুব খুশি হন।

পেশায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সুরভির মতে, সমাজ কী ভাববে তা চিন্তা করার আগে নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিজেকে স্বীকার করতে হবে। অন্যের সামনে তা স্বীকার করার সাহস রাখতে হবে।

এমন অনেক মানুষ আমার কাছে আসেন যারা নিজেদের যৌন অভিযোজন নিয়ে সোচ্চার না হতে পেরে দ্বৈত জীবনযাপনে বাধ্য হন। সমর্থন না পেয়ে মুখোমুখি হন মানসিক সমস্যার। সে যাই হোক, শিগগিরই গোয়ায় চার হাত এক হবে দুই বাঙালি কন্যার। জমিয়ে বিয়ের প্ল্যানিংয়ে মেতেছেন এই হবু দম্পত্তি।

About admin

Check Also

ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বিদেশির ‘দুর্ব্যবহার’, ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের অধীন থাকা রাওয়া ক্লাবের সামনের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্যকে লক্ষ্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *