বিএনপি ভোট চোরের দলঃ প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব রাজনীতির কবি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজারো প্রচেষ্টা, ত্যাগ তিতিক্ষার পর দেশের রাজনীতিতে একজন সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বিএনপি ভোট চোরের দল, ভোট চুরি করলে জনগণ কখনো মেনে নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষের জন্য যে মানুষটার বুক ভরা ভালোবাসা ছিল, যে মানুষগুলো আমাদের ঘরে বসে খেয়ে পরে গেল- তারা কীভাবে ওই বুকে গুলি চালায়? বাংলাদেশের মাটি অনেক উর্বর।

এখানে যেমন অনেক ভালো মানুষ জন্মে তেমনি পরগাছাও জন্ম নেয়। তেমন বেইমান পরগাছাও এদেশে ছিল। তাদের ইচ্ছা ছিল এদেশ যেন উন্নতি করতে না পারে। এরা মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাহাত্তরে বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর থেকেই কিছু কিছু লোকের শুরু হলো নানা ধরনের সমালোচনা। এটা হলো না, ওটা হলো না। এই হচ্ছে না, সেই হচ্ছে না।

একবার তারা ভেবে দেখলো না, এই দেশটা ছিল পরাধীন। দুইশ বছর ব্রিটিশদের গোলামি করেছে। তারপর ২৩ বছর পাকিস্তানিদের গোলামি করতে হয়েছে। এরপর মুক্তিযুদ্ধ করতে হয়েছে। পাকিস্তানের একটি প্রদেশকে যিনি রাষ্ট্রে উন্নীত করেছেন, ধীরে ধীরে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয় যাচ্ছেন।

কিন্তু তাকে সময় দেওয়া হলো না। যারা সেই সময় এ রকম কলাম লিখেছেন, আন্দোলন বা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। তারা কী ভেবেছিল? কী করতে চাচ্ছিল তারা? সেটাই আমার প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের উত্তর আজও পাইনি।বাংলাদেশ থেকে ইন্টারন্যাশনাল টপ কোর্স পাওয়া মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে সহজ হতে পারে

এখানে যেমন অনেক ভালো মানুষ জন্মে তেমনি পরগাছাও জন্ম নেয়। তেমন বেইমান পরগাছাও এদেশে ছিল। তাদের ইচ্ছা ছিল এদেশ যেন উন্নতি করতে না পারে। এরা মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাহাত্তরে বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরার পর থেকেই কিছু কিছু লোকের শুরু হলো নানা ধরনের সমালোচনা। এটা হলো না, ওটা হলো না। এই হচ্ছে না, সেই হচ্ছে না।

একবার তারা ভেবে দেখলো না, এই দেশটা ছিল পরাধীন। দুইশ বছর ব্রিটিশদের গোলামি করেছে। তারপর ২৩ বছর পাকিস্তানিদের গোলামি করতে হয়েছে। এরপর মুক্তিযুদ্ধ করতে হয়েছে। পাকিস্তানের একটি প্রদেশকে যিনি রাষ্ট্রে উন্নীত করেছেন, ধীরে ধীরে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয় যাচ্ছেন।

কিন্তু তাকে সময় দেওয়া হলো না। যারা সেই সময় এ রকম কলাম লিখেছেন, আন্দোলন বা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। তারা কী ভেবেছিল? কী করতে চাচ্ছিল তারা? সেটাই আমার প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের উত্তর আজও পাইনি।বাংলাদেশ থেকে ইন্টারন্যাশনাল টপ কোর্স পাওয়া মানুষ যা ভাবে তার চেয়ে সহজ হতে পারে

About admin

Check Also

সাবেক শিবির নেতা নৌকার চেয়ারম্যান হয়ে আ.লীগ নেতাকে মনের ইচ্ছামত পে’টালেন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদ এক আওয়ামী লীগ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *