লকডাউনের বিষয়ে যা জানালো জাতীয় পরামর্শক কমিটি

সারাদেশে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। আজকের তথ্য মতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৩৩ জন।‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে নতুন করে লকডাউন দিয়ে লাভ হবে না বলে জানিয়েছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। লকডাউনের বিষয়ে তিনি বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রতিরোধে নতুন করে লকডাউন দিয়ে লাভ হবে না।

এছাড়া এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলোতেও তুলনামূলক রোগী কম। আমরা যখন দেখি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি, চিকিৎসকদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে, তখন লকডাউনের সুপারিশ করি।

লকডাউন দিলে জনজীবনে প্রভাব পড়বে ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মন্তব্য করে কমিটির সভাপতি বলেন, লকডাউনের আগে যে কাজগুলো বেশি কার্যকর সে কাজগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে করতে পারি, তাহলে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২৫৬ জনে। আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট প্রাণহানি ২৮ হাজার ২৫৬ জন। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৩৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৭ জন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশে।

এছাড়া এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলোতেও তুলনামূলক রোগী কম। আমরা যখন দেখি হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি, চিকিৎসকদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে, তখন লকডাউনের সুপারিশ করি।

লকডাউন দিলে জনজীবনে প্রভাব পড়বে ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মন্তব্য করে কমিটির সভাপতি বলেন, লকডাউনের আগে যে কাজগুলো বেশি কার্যকর সে কাজগুলো যদি আমরা যথাযথভাবে করতে পারি, তাহলে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২৫৬ জনে। আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট প্রাণহানি ২৮ হাজার ২৫৬ জন। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৩৩ জন। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৭ জন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশে।

About admin

Check Also

বন্যায় সিলেট নগরে বিয়ে, রিকশায় বরের বাড়ি যাচ্ছেন কনে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা দেখা দিয়েছে। সুরমা নদী উপচে সিলেট নগরেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.