সংসারের হা,ল ধ,রতে রা,স্তায় রা,স্তায় ফু,চকা বি,ক্রি ক,রছেন ত,রুণী, ভা,ইরাল ভি,ডিও

অ-ভাব-অ-নটন সাংসারিক কো-লাহল মানুষকে কত খা-রাপ করে দিতে পারে সেটি আপনারা হয়তো ধারণাও করতে পারবেন না । অনেকে অসাধু উপায় এ উপার্জন করার চিন্তাভাবনা করে থাকে ।

ঠিক কথা কিন্তু এদের মধ্যে কেউ কেউ থাকে যারা মাথা উঁচিয়ে শিরদাঁড়া বিক্রি না করে সৎ পথে উপার্জন করার কথা চিন্তা করে । তেমনি এক উদাহরণ হল এই যুবতী । সংসারের হাল ধরতে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা দুই ভাই বোন মিলে খুলেছে ফুচকার দোকান । নাক সিঁটকে যাচ্ছে আপনার? ভাবছেন কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছি আমরা ।

কিন্তু এটাই চরম বাস্তবতা । যখন সংসারে অ[ভাব-অ[নটন আসে তখন কোন কাজ করতে আর দ্বিধাবোধ লাগেনা । লক্ষ্য তখন একটাই থাকে যে কোন উপায়ে বাঁচিয়ে তুলতে হবে নিজের সংসারকে । আর ঠিক সেই জীবন যুদ্ধে শামিল হয়েছে এই দুই ভাইবোন ।

এই দীর্ঘ ল-কডা-উনে ব-ন্ধ হয়ে গেছে সমস্ত কাজকর্ম । তাই দশ বছর ধরে বন্ধ থাকা বাবার মুদিখানার দোকান কে নিয়ে এই ছোট্ট করে স্বপ্ন দেখেছে এই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া দুই ভাইবোন । সংসারের হাল ধরতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত বাস্তবে পা রেখেছে তারা । খুলেছেন একটি ফুচকার দোকান ।

অ-বাক হচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট ফুচকার দোকান খুলছে ঠিকই ধরেছেন কোনরকম লাজ ল-জ্জা ভ-য় কে আপোষ না করে আবার সেই দোকানে নতুন করে খুলেছে ফুচকার দোকান । আজ দীর্ঘ আট মাস পেরিয়ে গেছে । এই আট মাসে ঝ-ড়-ঝা-পটা গেছে তাদের মধ্যে ।

অনেক রকমের সমা-লো-চনা ক-টুক্তি শি-কার হতে হয়েছে দুই ভাই-বোনকে । তবুও দমে যায়নি তারা বরং এগিয়ে গেছে সামনের দিকে । এমনই গল্পের এক বর্ণময় উজ্জ্বল চরিত্র হলো দেবজ্যোতি এবং জ্যোতিপ্রিয় । জ্যোতির্ময়ী আরো জানান টাকার অভাবে একসময় ডিপ্লোমা পরে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন দুই ভাই বোন।

তবে বর্তমানে দুজনেই ফুচকার ব্যবসা থেকে পাওয়া লভ্যাংশে বিটেক করছেন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপরে।তবে সংবাদমাধ্যমকে জ্যোতির্ময়ী জানিয়েছেন অন্য চাকরি কখনো পেলেও তাদের এই ফুচকার ব্যবসা কে তারা ছাড়তে চান না।

বরং একটি ব্র্যান্ড বানাতে চান তারা তাদের ‘ফুচকাwala’ কে। পাশাপাশি খুলতে চলেছেন তারা নিজেদের একটি রেস্টুরেন্টও। তাদের এই পরিশ্রম সফল হোক এমনটা প্রার্থনা করছেন অনেকে । তার পাশাপাশি তাদের এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়েছে অনেক ।

অনেক রকমের সমা-লো-চনা ক-টুক্তি শি-কার হতে হয়েছে দুই ভাই-বোনকে । তবুও দমে যায়নি তারা বরং এগিয়ে গেছে সামনের দিকে । এমনই গল্পের এক বর্ণময় উজ্জ্বল চরিত্র হলো দেবজ্যোতি এবং জ্যোতিপ্রিয় । জ্যোতির্ময়ী আরো জানান টাকার অভাবে একসময় ডিপ্লোমা পরে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন দুই ভাই বোন।

তবে বর্তমানে দুজনেই ফুচকার ব্যবসা থেকে পাওয়া লভ্যাংশে বিটেক করছেন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপরে।তবে সংবাদমাধ্যমকে জ্যোতির্ময়ী জানিয়েছেন অন্য চাকরি কখনো পেলেও তাদের এই ফুচকার ব্যবসা কে তারা ছাড়তে চান না।

বরং একটি ব্র্যান্ড বানাতে চান তারা তাদের ‘ফুচকাwala’ কে। পাশাপাশি খুলতে চলেছেন তারা নিজেদের একটি রেস্টুরেন্টও। তাদের এই পরিশ্রম সফল হোক এমনটা প্রার্থনা করছেন অনেকে । তার পাশাপাশি তাদের এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়েছে অনেক ।

About admin

Check Also

সন্তানদের মোবাইল আসক্তি থেকে বাঁচাতে যা বললেন শুভশ্রী

বর্তমান প্রজন্মের প্রযুক্তির নেশায় হারিয়ে যাচ্ছে শৈশব-কৈশোর। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল নিয়ে সময় কাটাচ্ছে তারা। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.