একটি মটর সাইকেলে পুরো পরিবারের ৮ জন কে নিয়ে দারুন কায়দায় অনায়াসে চালাচ্ছেন বাবা, সেই ভিডিও তুমুল ভাইরাল নেটদুনিয়ায়!

শঙ্খচূড়, পদ্ম গোখরা, রাজ গোখরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Ophiophagus hannah) হচ্ছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বিষধর সাপ। যার দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৫.৬ মিটার (১৮.৫ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে।[১] এটি মূলত সম্পূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার বনাঞ্চল জুড়ে দেখা যায়। ইংরেজি নামে কোবরা শব্দটি থাকলেও এটি কোবরা বা গোখরা নয়। এটি সম্পূর্ণ আলাদা গণের একটি সাপ।

গোখরার তুলনায় শঙ্খচূড় আকৃতিতে যথেষ্ট পরিমাণ বড়। এর ফণার পেছনে প্রচলিত গোখরা বা খড়মপায়া গোখরার মতো চশমা বা গোক্ষুর আকৃতি চিহ্ন থাকে না। এছাড়াও অন্যান্য বিষধর সাপও এটি ভক্ষণ করে, যেমন: ক্রেইট, গোখরা, এবং নিজ প্রজাতিভুক্ত অন্যান্য ছোট সাপ।

এই সাপের বিষ মূলত নিউরোটক্সিক, অর্থাৎ এটির বিষ আক্রান্ত প্রাণীর স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে। শঙ্খচূড়ের একটি সাধারণ দংশন-ই যেকোনো মানুষকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট। ডিম পাড়ার আগে স্ত্রী শঙ্খচূড় তার শরীর পাকিয়ে কুণ্ডুলী তৈরি করে, এবং শুষ্ক পাতা ব্যবহার করে উঁচু ঢিপির মতো তৈরি করে। পরবর্তীকালে সেখানে ২০ থেকে ৪০টির মতো ডিম পাড়ে।

কুন্ডুলী পাকানো দেহটি ইউকিউবেটররের মতো কাজ করে। বাচ্চা ফোটার আগ পর্যন্ত শঙ্খচূড় তার ঢিপিটিকে বিরামহীনভাবে পাহারা দিতে থাকে, এবং কোনো প্রাণী যেনো কাছে আসতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখে। এই সাপের কামড়ে অনেক মানুষই মারা যায়।

এরা খাবারের সন্ধানে ঘরের আনাচে কানাচে ঠুকে যায়। যা কিনা ভবিষৎতের জন্য খুবই মারাত্নক হয়ে যায়। বাসার ছাদের পাইপের ভিতর থেকে, বাহির করা হল বিষাক্ত কোবরা সাপ, যা দেখে হতবম্ব হয়ে গেল সবাই।

শঙ্খচূড়, পদ্ম গোখরা, রাজ গোখরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Ophiophagus hannah) হচ্ছে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বিষধর সাপ। যার দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৫.৬ মিটার (১৮.৫ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে।[১] এটি মূলত সম্পূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার বনাঞ্চল জুড়ে দেখা যায়। ইংরেজি নামে কোবরা শব্দটি থাকলেও এটি কোবরা বা গোখরা নয়। এটি সম্পূর্ণ আলাদা গণের একটি সাপ।

গোখরার তুলনায় শঙ্খচূড় আকৃতিতে যথেষ্ট পরিমাণ বড়। এর ফণার পেছনে প্রচলিত গোখরা বা খড়মপায়া গোখরার মতো চশমা বা গোক্ষুর আকৃতি চিহ্ন থাকে না। এছাড়াও অন্যান্য বিষধর সাপও এটি ভক্ষণ করে, যেমন: ক্রেইট, গোখরা, এবং নিজ প্রজাতিভুক্ত অন্যান্য ছোট সাপ।

এই সাপের বিষ মূলত নিউরোটক্সিক, অর্থাৎ এটির বিষ আক্রান্ত প্রাণীর স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে। শঙ্খচূড়ের একটি সাধারণ দংশন-ই যেকোনো মানুষকে মেরে ফেলার জন্য যথেষ্ট। ডিম পাড়ার আগে স্ত্রী শঙ্খচূড় তার শরীর পাকিয়ে কুণ্ডুলী তৈরি করে, এবং শুষ্ক পাতা ব্যবহার করে উঁচু ঢিপির মতো তৈরি করে। পরবর্তীকালে সেখানে ২০ থেকে ৪০টির মতো ডিম পাড়ে।

কুন্ডুলী পাকানো দেহটি ইউকিউবেটররের মতো কাজ করে। বাচ্চা ফোটার আগ পর্যন্ত শঙ্খচূড় তার ঢিপিটিকে বিরামহীনভাবে পাহারা দিতে থাকে, এবং কোনো প্রাণী যেনো কাছে আসতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখে। এই সাপের কামড়ে অনেক মানুষই মারা যায়।

এরা খাবারের সন্ধানে ঘরের আনাচে কানাচে ঠুকে যায়। যা কিনা ভবিষৎতের জন্য খুবই মারাত্নক হয়ে যায়। বাসার ছাদের পাইপের ভিতর থেকে, বাহির করা হল বিষাক্ত কোবরা সাপ, যা দেখে হতবম্ব হয়ে গেল সবাই।

About admin

Check Also

১৭ বছর বয়সে বিদেশ গেছি, সব কামাই বাবা-মাকে দিছি, আর বাড়ি ফিরে ৫ দিন ভাত পাইনি

যৌ’বনে সব কামাই তাদের (বাবা-মা) কে দিয়েছিলাম। ১৭ বছড় বয়সে সৌদি গিয়াছিলাম, মোচ উঠে নাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.