সাপের মতো এই মাছটি দেখলেই সাথে সাথে মেরে ফেলার নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পানি ছেড়ে ডাঙায় বাঁচতে পারে এমন মাছের সন্ধান পেয়েছেন।মাছটিকে ‘ভয়ংকর’ আখ্যায়িত করে দেখামাত্র মেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মাছগুলো দেখতে অনেকটা সাপের মতো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নেকহেড ফিশ’।
১৯৯৭ সালেও একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে ধরা পড়ে এই মাছ। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল মাছটি পূর্ব এশিয়ার।

এটিকে এখন জর্জিয়ায় পেয়ে অবাক হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।২০০২ সালে স্নেকহেড ফিশ ধরা এবং বিক্রি বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় জানতে পেরেছেন, এর শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে।

ফলে পানি থেকে ডাঙায় তুললেও জীবন ধারণে কোনো সমস্যা হয় না।তবে আচমকা পরিবেশ বদলের ফলে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে।জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, ছোট মাছ এমনকি ছোট ইঁদুরও এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে।আর এই কারণেই অন্যান্য জলজ প্রাণীর কাছে এটি বিপদের কারণ ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পানি ছেড়ে ডাঙায় বাঁচতে পারে এমন মাছের সন্ধান পেয়েছেন।মাছটিকে ‘ভয়ংকর’ আখ্যায়িত করে দেখামাত্র মেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মাছগুলো দেখতে অনেকটা সাপের মতো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নেকহেড ফিশ’।
১৯৯৭ সালেও একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে ধরা পড়ে এই মাছ। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল মাছটি পূর্ব এশিয়ার।

এটিকে এখন জর্জিয়ায় পেয়ে অবাক হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।২০০২ সালে স্নেকহেড ফিশ ধরা এবং বিক্রি বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় জানতে পেরেছেন, এর শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে।

ফলে পানি থেকে ডাঙায় তুললেও জীবন ধারণে কোনো সমস্যা হয় না।তবে আচমকা পরিবেশ বদলের ফলে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে।জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, ছোট মাছ এমনকি ছোট ইঁদুরও এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে।আর এই কারণেই অন্যান্য জলজ প্রাণীর কাছে এটি বিপদের কারণ ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পানি ছেড়ে ডাঙায় বাঁচতে পারে এমন মাছের সন্ধান পেয়েছেন।মাছটিকে ‘ভয়ংকর’ আখ্যায়িত করে দেখামাত্র মেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মাছগুলো দেখতে অনেকটা সাপের মতো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নেকহেড ফিশ’।
১৯৯৭ সালেও একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে ধরা পড়ে এই মাছ। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল মাছটি পূর্ব এশিয়ার।

এটিকে এখন জর্জিয়ায় পেয়ে অবাক হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।২০০২ সালে স্নেকহেড ফিশ ধরা এবং বিক্রি বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় জানতে পেরেছেন, এর শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে।

ফলে পানি থেকে ডাঙায় তুললেও জীবন ধারণে কোনো সমস্যা হয় না।তবে আচমকা পরিবেশ বদলের ফলে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে।জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, ছোট মাছ এমনকি ছোট ইঁদুরও এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে।আর এই কারণেই অন্যান্য জলজ প্রাণীর কাছে এটি বিপদের কারণ ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পানি ছেড়ে ডাঙায় বাঁচতে পারে এমন মাছের সন্ধান পেয়েছেন।মাছটিকে ‘ভয়ংকর’ আখ্যায়িত করে দেখামাত্র মেরে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মাছগুলো দেখতে অনেকটা সাপের মতো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নেকহেড ফিশ’।
১৯৯৭ সালেও একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে ধরা পড়ে এই মাছ। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল মাছটি পূর্ব এশিয়ার।

এটিকে এখন জর্জিয়ায় পেয়ে অবাক হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।২০০২ সালে স্নেকহেড ফিশ ধরা এবং বিক্রি বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়।
সম্প্রতি মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় জানতে পেরেছেন, এর শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে।

ফলে পানি থেকে ডাঙায় তুললেও জীবন ধারণে কোনো সমস্যা হয় না।তবে আচমকা পরিবেশ বদলের ফলে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে।জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, ছোট মাছ এমনকি ছোট ইঁদুরও এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে।আর এই কারণেই অন্যান্য জলজ প্রাণীর কাছে এটি বিপদের কারণ ।

About admin

Check Also

১৭ বছর বয়সে বিদেশ গেছি, সব কামাই বাবা-মাকে দিছি, আর বাড়ি ফিরে ৫ দিন ভাত পাইনি

যৌ’বনে সব কামাই তাদের (বাবা-মা) কে দিয়েছিলাম। ১৭ বছড় বয়সে সৌদি গিয়াছিলাম, মোচ উঠে নাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.