টিপ কাণ্ড: সিসিটিভির ফুটেজ দেখে যা জানালো পুলিশ

কপালে টিপ পরে গত শনিবার নিজ কর্মস্থলের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষক ড. লতা সমাদ্দার। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় তাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করেন একজন পুলিশ সদস্য।

এরপর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ওই শিক্ষক। জিডির সেই কপি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর ঘটনাটির প্রতিবাদে কপালে টিপ পরা ছবি পোস্ট করছেন অসংখ্য নারী। শুধু নারী নন, পুরুষরাও কপালে টিপ পরে ছবি তুলছেন। আর তা ফেসবুকে পোস্ট করছেন। জানাচ্ছেন প্রতিবাদ।

ইতোমধ্যে টিপ পরা নিয়ে তেজগাঁও কলেজের প্রভাষক ড. লতা সমাদ্দারকে কটূক্তির ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছে পুলিশ। এতে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্য। তবে তার নাম,

মোটরসাইকেলের সম্পূর্ণ নম্বরসহ সুর্নিদিষ্ট কোনো তথ্য এখনো তারা জানতে পারেননি। ফলে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগছে। তবে যে কোনো সময় অভিযুক্ত ধরা পড়বেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

সংবাদমাধ্যমকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে ঘটনার তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্ট সবাই দিনরাত কাজ করছে। শিক্ষিকা অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জানাতে পারেননি।

মোটারসাইকেলটির আংশিক নম্বর দিয়েছেন। এসব কারণে দেরি হচ্ছে। তবে বিভিন্নভাবে আমরা এখন পর্যন্ত বলতে পারি অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্যই। তদন্তে বাকিটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

কপালে টিপ পরে গত শনিবার নিজ কর্মস্থলের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষক ড. লতা সমাদ্দার। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় তাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করেন একজন পুলিশ সদস্য।

এরপর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ওই শিক্ষক। জিডির সেই কপি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আর ঘটনাটির প্রতিবাদে কপালে টিপ পরা ছবি পোস্ট করছেন অসংখ্য নারী। শুধু নারী নন, পুরুষরাও কপালে টিপ পরে ছবি তুলছেন। আর তা ফেসবুকে পোস্ট করছেন। জানাচ্ছেন প্রতিবাদ।

ইতোমধ্যে টিপ পরা নিয়ে তেজগাঁও কলেজের প্রভাষক ড. লতা সমাদ্দারকে কটূক্তির ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেছে পুলিশ। এতে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্য। তবে তার নাম,

মোটরসাইকেলের সম্পূর্ণ নম্বরসহ সুর্নিদিষ্ট কোনো তথ্য এখনো তারা জানতে পারেননি। ফলে তাকে শনাক্ত করতে সময় লাগছে। তবে যে কোনো সময় অভিযুক্ত ধরা পড়বেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

সংবাদমাধ্যমকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে ঘটনার তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্ট সবাই দিনরাত কাজ করছে। শিক্ষিকা অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম জানাতে পারেননি।

মোটারসাইকেলটির আংশিক নম্বর দিয়েছেন। এসব কারণে দেরি হচ্ছে। তবে বিভিন্নভাবে আমরা এখন পর্যন্ত বলতে পারি অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ সদস্যই। তদন্তে বাকিটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

About admin

Check Also

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুললেন কলেজছাত্র মামুন…বেরিয়ে এলো চা’ঞ্চল্যকর তথ্য

এবার নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজছাত্র মো. মামুন হোসেনকে (২২) বিয়ের সাত মাসের মাথায় কলেজশিক্ষক খাইরুন নাহারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.