যতক্ষণ জয় বাংলা বলবি, ততক্ষণ বেঁচে থাকতে পারবি: ছাত্রলীগ সম্পাদক

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা রাজনীতি করবে আর কারা রাজনীতি করবে না সেটা পরিবেশ পরিষদই নির্ধারণ করে দিয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেছেন, কোনোরকম ধর্মীয় রাজনীতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার ৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত সন্ত্রাস ও মৌলবাদ বিরোধী এক বিক্ষোভ সমাবেশে এ মন্তব্য করেন লেখক।

এ সময় ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শতাধিক নেতাকর্মী।

এ সময় লেখক বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি শুধু তাদের ব্যানার পরিবর্তন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ পরিষদের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে কারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি করবে আর কারা করতে পারবে না।

ডাকসুর সিনেটের মাধ্যমে ও পরিষদ পরিষদের মিটিংয়ের মাধ্যমে এটা স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের মৌলবাদী শক্তির রাজনীতি বিগত বছরের ন্যায় বর্তমান ও ভবিষ্যতেও হতে দেওয়া যাবে না। তারা এ বিষয়টা ভালোভাবে জানতে পেরে একেক সময় একেক লেবাস ধারণ করে।

ছাত্রলীগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পবিত্র ধর্মকে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দিবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন কোনো মৌলবাদী ধর্মীয় রাজনীতিকে আশকারা না দেন।

জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে তিনি বলেন, যে জয় বাংলা স্লোগান দিতে দিতে এদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে জীবন দিয়েছে তবুও মুখ দিয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলেনি সেই জয় বাংলা স্লোগানকে অস্বীকার করে যারা বাংলাদেশে রাজনীতি করতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই,

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রগতিশীল রাজনীতির চর্চা যদি না করতো তাহলে বলতাম, যতক্ষণ তোরা জয় বাংলা বলতে পারবি ততক্ষণ তোরা বেঁচে থাকতে পারবি তা নাহলে বেঁচে থাকতে পারবি না।

এ সময় আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কখনো মৌলবাদীদেরকে মেনে নিবেনা। এই মৌলবাদী গোষ্ঠীকে বলতে চাই, আপনারা বিভিন্নভাবে শান্তির ধর্ম ইসলামকে ব্যবহার করে আমাদেরকে বিব্রত করেন। মৌলবাদীদেরকে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, ধর্মকে পুঁজি করে মিথ্যা বলে এগিয়ে যেতে দেবোনা। শর্টকাট টেকনিকে বেহেশতে যাওয়া যাবেনা।

তিনি আরও বলেন, আর যারা মানুষ মেরে বা মানুষ মারার টেকনিক শিখেয়ে বেহেশতে যাবেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে, তোরা লুকিয়ে লুকিয়ে কেন তোদের সংগঠনের নেতৃত্ব দেস? পিছন থেকে চোরাগোপ্তা হামলা না করে আয়,

সামনে এসে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের মোকাবেলা কর। দেখি তোদের কত সাহস। কোন অন্যায়কারীকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ছাড় দিবে না। আমাদের নেতাকর্মীরা বেঁচে থাকতে কেউ বাংলাদেশে কোন সা¤প্রদায়িকতা তৈরি করতে পারবেনা।

About admin

Check Also

‘তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত’: জয়

“তারেক রহমান লন্ডনে বসে হারিকেন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত৷ হঠাৎ করে তারা হারিকেন নিয়ে খুব উদগ্রীব। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.