আগে বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে হলে যাওয়া যেতে এখন সেই পরিবেশ নাই: সোহেল রানা

চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারে পৌনে তিনশত ছবিতে অভিনয় করেছেন সোহেল রানা। ৩৫টি ছবি প্রযোজনা এবং অর্ধশত ছবি পরিচালনা করেছেন। যদিও তার নায়ক খ্যাতির আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে প্রযোজক, পরিচালক পরিচয়। স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

চলচ্চিত্রের এই জীবন্ত কিংবদন্তির সঙ্গে আলাপরাচিতায় উঠে আসে সোনালী দিনের বাংলা সিনেমার কথা। তুলে ধরেন বর্তমান সময়ের সিনেমার কথাও। বলেছেন ড্যাশিং হিরো খ্যাতি পাবার গল্প।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান সিনেমা নিয়ে সোহেল রানা বলেন, বর্তমানে সিনেমা তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল, আর দেশের হলগুলো হচ্ছে এনালগ। তাহলে সিমেনা হলে দর্শক দেখবে কি। আমি অনেক আগেই বলেছি, বাংলা চলচ্চিত্র মরে গেছে। সেই সোনালী দিন আর ফিরে পাওয়া সম্ভব না।

তাই আমি বলবো এখনকার সময়ের সিনেমার সাথে আগের সিনেমার তুলনা করলে চলবে না।তিনি বলেন, ১৯৮০-৯০ সালে তো মোবাইলে সিনেমা দেখা যেতে না, তখন সিনেমা দেখতে হলে যেতে হত দর্শককে। বর্তমানে হাতের মুঠোয় সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে।

মানুষ তাহলে সিনেমা হলে কেন যাবে। ভবিৎষতে সিনেমা থাকবে, হলে দর্শক যাবে না। সেই সময় ইউটিউব ছিল না, ফেসবুক ছিল না। এখন তো ভাই তার বোনকে নিয়ে সিনেমা হলে যেতে পারে না। আশেপাশের লোকজন এখন আর ভদ্র নাই। আগে বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে হলে যাওয়া যেতে এখন সেই পরিবেশ নাই।

সোহেল রানা বলেন, সেই সময়ের সাংবাদিক ও চলচ্চিত্রকার আহমদ জামান চৌধুরী আমাকে যখন ড্যাশিং হিরো নামটা প্রশংসা করে দেন তখন বাংলা সিনেমার কাউকে কোন নামে ডাকা হতো না।

আমার নাম দেয়ার পর রাজ্জাক সাহেবকে তিনি নায়ক রাজ হিসেবে পরিচিতি দিলেন। এরপর নায়ক ওয়াসিমকে বাহাদূর বলে ডাকা হতো। হাতে গোনা কয়েক জনের পর, নিজের নামের আগে ইচ্ছে মত নাম বসিয়ে প্রচার করতে শুরু করলো অনেকে। প্রকৃত অর্থে তো আমাকে দিয়ে প্রশংসা সূচক শুরু হয়।

চলচ্চিত্রের এই জীবন্ত কিংবদন্তির সঙ্গে আলাপরাচিতায় উঠে আসে সোনালী দিনের বাংলা সিনেমার কথা। তুলে ধরেন বর্তমান সময়ের সিনেমার কথাও। বলেছেন ড্যাশিং হিরো খ্যাতি পাবার গল্প।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান সিনেমা নিয়ে সোহেল রানা বলেন, বর্তমানে সিনেমা তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল, আর দেশের হলগুলো হচ্ছে এনালগ। তাহলে সিমেনা হলে দর্শক দেখবে কি। আমি অনেক আগেই বলেছি, বাংলা চলচ্চিত্র মরে গেছে। সেই সোনালী দিন আর ফিরে পাওয়া সম্ভব না।

তাই আমি বলবো এখনকার সময়ের সিনেমার সাথে আগের সিনেমার তুলনা করলে চলবে না।তিনি বলেন, ১৯৮০-৯০ সালে তো মোবাইলে সিনেমা দেখা যেতে না, তখন সিনেমা দেখতে হলে যেতে হত দর্শককে। বর্তমানে হাতের মুঠোয় সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে।

মানুষ তাহলে সিনেমা হলে কেন যাবে। ভবিৎষতে সিনেমা থাকবে, হলে দর্শক যাবে না। সেই সময় ইউটিউব ছিল না, ফেসবুক ছিল না। এখন তো ভাই তার বোনকে নিয়ে সিনেমা হলে যেতে পারে না। আশেপাশের লোকজন এখন আর ভদ্র নাই। আগে বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে হলে যাওয়া যেতে এখন সেই পরিবেশ নাই।

সোহেল রানা বলেন, সেই সময়ের সাংবাদিক ও চলচ্চিত্রকার আহমদ জামান চৌধুরী আমাকে যখন ড্যাশিং হিরো নামটা প্রশংসা করে দেন তখন বাংলা সিনেমার কাউকে কোন নামে ডাকা হতো না।

About admin

Check Also

স্বল্প পোশাকে গাড়ির ভেতর উদ্দাম নাচ নেহা কক্করের, নিমেষে ভাইরাল ভিডিও

প্রথম পাতায় নেহা কক্কর থাকবেননা তা কি কখনো হয়? এমনিতেই অতিমারির মধ্যে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.