মসজিদুল আকসায় একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করল ৬০ হাজার মুসল্লি

ইসরায়েলের পুলিশ বাহিনীর কঠোর উপস্থিতি উপেক্ষা করে পবিত্র রমজান মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার হিসেবে প্রায় ৬০,০০০ ফিলিস্তিনি মুসল্লি মসজিদুল আকসায়য় জুমা’র নামাজ আদায় করেছেন।

এর আগে গত শুক্রবার (৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত রমজানের প্রথম জুমার নামাজে প্রায় ৮০ হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।তুরস্ক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ ঘিরে জেরুজালেম শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে ইসরায়েল।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের মহাপরিচালক শায়খ আজ্জাম আল খতিব জানান, জুমার নামাজে মুসল্লিদের এ সংখ্যা অনেক মনে হলেও পবিত্র রমজান মাস হিসেবে তা খুবই কম।শহরের প্রবেশপথ, মসজিদের আশপাশ ও অলিগলিতে পুলিশের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

এছাড়া গাজা ও পশ্চিম তীরের ৫০ বছরের কম বয়সী বাসিন্দাদের মসজিদে নামাজ পড়তে আসতে বাধা দেয় ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ওইদিন (শুক্রবার) ভোরবেলা থেকেই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে অন্তত ১৫৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হন।

ফিলিস্তিনি বন্দী বিষয়ক কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনার পর চার শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েলি পুলিশ বাহিনী।জেরুজালেম বিষয়ক মন্ত্রী ফাদি আল হাদমি এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি পুলিশের মসজিদে হামলার নিন্দা জানান।

তিনি বলেছেন, এসব প্রতিক্রিয়ার জন্য তারাই ‘সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে। এদিকে ইসরায়েলি পুলিশ এক বিবৃতিতে সংঘর্ষে জড়িতদের ‘সহিংস দাঙ্গবাজ’ আখ্যায়িত করে জানায়, ‘এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষতি করা।

ইসরায়েলের পুলিশ বাহিনীর কঠোর উপস্থিতি উপেক্ষা করে পবিত্র রমজান মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার হিসেবে প্রায় ৬০,০০০ ফিলিস্তিনি মুসল্লি মসজিদুল আকসায়য় জুমা’র নামাজ আদায় করেছেন।

এর আগে গত শুক্রবার (৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত রমজানের প্রথম জুমার নামাজে প্রায় ৮০ হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।তুরস্ক ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ ঘিরে জেরুজালেম শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে ইসরায়েল।

ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের মহাপরিচালক শায়খ আজ্জাম আল খতিব জানান, জুমার নামাজে মুসল্লিদের এ সংখ্যা অনেক মনে হলেও পবিত্র রমজান মাস হিসেবে তা খুবই কম।শহরের প্রবেশপথ, মসজিদের আশপাশ ও অলিগলিতে পুলিশের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

এছাড়া গাজা ও পশ্চিম তীরের ৫০ বছরের কম বয়সী বাসিন্দাদের মসজিদে নামাজ পড়তে আসতে বাধা দেয় ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ওইদিন (শুক্রবার) ভোরবেলা থেকেই ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে অন্তত ১৫৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হন।

ফিলিস্তিনি বন্দী বিষয়ক কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনার পর চার শতাধিক ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরায়েলি পুলিশ বাহিনী।জেরুজালেম বিষয়ক মন্ত্রী ফাদি আল হাদমি এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি পুলিশের মসজিদে হামলার নিন্দা জানান।

তিনি বলেছেন, এসব প্রতিক্রিয়ার জন্য তারাই ‘সম্পূর্ণ দায়ী থাকবে। এদিকে ইসরায়েলি পুলিশ এক বিবৃতিতে সংঘর্ষে জড়িতদের ‘সহিংস দাঙ্গবাজ’ আখ্যায়িত করে জানায়, ‘এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষতি করা।

About admin

Check Also

বন্যায় সিলেট নগরে বিয়ে, রিকশায় বরের বাড়ি যাচ্ছেন কনে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা দেখা দিয়েছে। সুরমা নদী উপচে সিলেট নগরেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.