এ’খন না’মাজ-কো’রআন শ’রীফ প’ড়াই আ’মার কাজঃ আ’হমেদ শ’রীফ

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

নতুন খবর হচ্ছে, অভিনয়ে ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ের পড়ালেখার জন্য পরিবারসহ পাড়ি জমিয়েছেন এক সময়ের রূপালী পর্দার জনপ্রিয় খলনায়ক আহমেদ শরীফ। বর্তমানে বসবাস করছেন নিউইয়র্কে।

এক সপ্তাহ আগে দেশে ফিরেছেন এই নন্দিত অভিনেতা। বুধবার (০৩ নভেম্বর) তথ্যমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন সচিবালয়ে। সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যম কেন্দ্রে নানা বিষয় নিয়ে আলাপ করেন আহমেদ শরীফ।দীর্ঘ দিনের অভিনয় জীবন, বর্তমানে প্রবাস জীবন কেমন কাটছে তা নিয়ে বিস্তর কথা বলেন সাড়ে আটশ’ সিনেমায় অভিনয় করা এই গুণী শিল্পী।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাস জীবন নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার সবকিছু আছে সেখানে, তারপরেও মনে হয় কিছুই নেই! মনে হয় আমার ভিতরে হৃদয়টা খালি। সেখানে চেনা চেহারাগুলো নেই। আমি যেটা ৫০ বছর শুনেছি- লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন; সেটি নেই। আমার পরিচালকদের চেহারা নেই।

যাদের সঙ্গে জীবন কাটালাম তারা সেখানে নেই। অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। এই বয়সে নিজের বেশি কষ্ট। সেখানে আমার সময় কীভাবে চলে যাচ্ছে, ২/৩ ঘণ্টা কীভাবে দ্রুত চলে যাচ্ছে। আর আমেরিকাতে এক ঘরে বসে পত্রিকা পড়া, টিভি দেখা। পুরনো সিনেমা যেগুলো দেখা হয়নি সেগুলো ইউটিউবে দেখি। ’

এই বয়সে তিনি আর কী করেন জানতে চাইলে বলেন, ‘সবচেয়ে বড় একটা কাজ করে ফেলেছি, সেটা হচ্ছে বাংলায় কোরআন শরীফ পড়ে শেষ করতে পেরেছি। কোরআন শরীফে কী নির্দেশ, আমি যখন মুখস্থ কোরআন শরীফ পড়তাম ছেলেবেলায়, তখন কিছুই বুঝতাম না।

এখন বাংলায় কোরআন শরীফ পড়ে প্রত্যেকটি আয়াত কলবের মধ্যে, আত্মার মধ্যে ঢুকে গেছে। আল্লাহতায়ালা রসুলকে কী বলেছেন, মানুষের জন্য কোনটি উপকারী এবং কোনটি উপকারী না। কেমন শাস্তি, কোনটির জন্য।

আমার সব থেকে উপকার হয়েছে- কোরআন শরীফ পড়ে আমার ধর্মকে এতো দিন পরে হলেও আমি বুঝতে পেরেছি এবং সেভাবে দিনানিপাত করছি। নামাজ, কোরআন শরীফ পড়া- এগুলোই আমার কাজ।

যাদের সঙ্গে জীবন কাটালাম তারা সেখানে নেই। অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। এই বয়সে নিজের বেশি কষ্ট। সেখানে আমার সময় কীভাবে চলে যাচ্ছে, ২/৩ ঘণ্টা কীভাবে দ্রুত চলে যাচ্ছে। আর আমেরিকাতে এক ঘরে বসে পত্রিকা পড়া, টিভি দেখা। পুরনো সিনেমা যেগুলো দেখা হয়নি সেগুলো ইউটিউবে দেখি। ’

এই বয়সে তিনি আর কী করেন জানতে চাইলে বলেন, ‘সবচেয়ে বড় একটা কাজ করে ফেলেছি, সেটা হচ্ছে বাংলায় কোরআন শরীফ পড়ে শেষ করতে পেরেছি। কোরআন শরীফে কী নির্দেশ, আমি যখন মুখস্থ কোরআন শরীফ পড়তাম ছেলেবেলায়, তখন কিছুই বুঝতাম না।

এখন বাংলায় কোরআন শরীফ পড়ে প্রত্যেকটি আয়াত কলবের মধ্যে, আত্মার মধ্যে ঢুকে গেছে। আল্লাহতায়ালা রসুলকে কী বলেছেন, মানুষের জন্য কোনটি উপকারী এবং কোনটি উপকারী না। কেমন শাস্তি, কোনটির জন্য।

আমার সব থেকে উপকার হয়েছে- কোরআন শরীফ পড়ে আমার ধর্মকে এতো দিন পরে হলেও আমি বুঝতে পেরেছি এবং সেভাবে দিনানিপাত করছি। নামাজ, কোরআন শরীফ পড়া- এগুলোই আমার কাজ।

About admin

Check Also

বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শ্রাবন্তী

প্রতিদিন সড়কে ঝরে যাচ্ছে একাধিক প্রাণ। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ হলেও সময় গড়াতেই এসব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *