আরিফিন শুভকে দেখে মনে হয়েছে বঙ্গবন্ধু দাঁড়িয়ে আছেন: নির্মাতা ঝন্টু

দেশের প্রবীন নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু বলেছেন, আরিফিন শুভ’র গেটাপ আমার কাছে একদম ঠিক, যথার্থ মনে হয়েছে। লং শটে দেখে মনে হয়েছে যেন বঙ্গবন্ধুই দাঁড়িয়ে আছেন। আমি আসলে সিনেমাটার ট্রেলার দেখেছিলাম একজন সাংবাদিকের মোবাইলে।

ওই সাংবাদিক আমাকে যখন ট্রেলার দেখালেন তখন আমার কাছে ভালোই লেগেছে। আমরা অনর্থক সমালোচনা করছি এটা নিয়ে।এদিকে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক “মুজিব : দ্য মেকিং অফ আ নেশন”

ট্রেলার প্রকাশ নিয়ে যে সমালোচনা জবাব দিতে গিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বললেন দেশের প্রবীন নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তিনি একাধারে পরিচালক, প্রযোজক, গীতিকবি, সুরকার, চিত্রনাট্যকার, কাহিনীকার, চলচ্চিত্র সম্পাদক, চিত্রগ্রাহক, সঙ্গীত পরিচালক এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

ঝন্টু বলেন, ‘‘ তখন আমাদের বাসা ছিল চকবাজার। আমরা স্বশরীরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে রেসকোর্স ময়দানে যাই। সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে আমাদের রক্ত আন্দোলিত হয়েছে বলেই মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। তাছাড়া বঙ্গবন্ধুকে আমি কাছ থেকে দেখেছি। একইমঞ্চে বসে গান গেয়েছি। কাদেরী কিবরিয়া,

আব্দুল জব্বার, ফরহাদসহ গান করেছি, বঙ্গবন্ধু শুনেছেন। আমার মনে আছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে তিনকোনা একটু পুকুরঘাটের পাশে শেখ সেলিমের তত্ত্বাবধানে একটা সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বঙ্গবন্ধু আসেন। মঞ্চে বসেন। কাদেরী কিবরিয়ার রবীন্দ্র সংগীত শুনে প্রশংসা করেন। আমাকে বলেন,‘কিরে তুই কি গান গাইবি না?’’

ঝন্টু বলেন, ‘অনেক ভালো নির্মাতা রয়েছেন বাংলাদেশে। যেমন মরহুম আজিজুর রহমান, যদিও উনি চলে গেলেন। কাজী হায়াত ছিলেন, আলমগীর সাহেব ছিলেন,

হয়তো তারাও ভালো নির্মাণ করতে পারতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেহেতু মনে করেছেন শ্যাম বেনেগাল ভালো করতে পারেন। তাই উনাকে দিয়েছেন। আমি মনে করি উনি যেটা নির্মাণ করতে চেয়েছেন সেটা পেরেছেন। উনাকে নিয়ে সমালোচনার কিছু নেই। ’

তিনি বলেন, ‘আমি ট্রেলার দেখে বুঝেছি, একটা সিনেমাতে মূলত যা বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, সেটা বোঝাতে পারলেই হলো। বঙ্গবন্ধু সিনেমায় শুভর গেটআপ আমার ভালো লেগেছে। মনে হয়েছে যেন বঙ্গবন্ধুই দাঁড়িয়ে আছেন।

আর চশমার ভুল যেটা ধরা হচ্ছে, সেটা দৃশ্য পরিবর্তন হলে, হতেই পারে। এছাড়াও মাইক্রোফোনের ভুল রয়েছে। হ্যাঁ, এমনকিছু ভুল রয়েছে। এসব ছাড়াও আমার কাছে ভালো লেগেছে ট্রেলার। যেটা শো করার চেষ্টা করা হয়েছে সেটা আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ট্রেলার দেখে বুঝেছি, একটা সিনেমাতে মূলত যা বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, সেটা বোঝাতে পারলেই হলো। বঙ্গবন্ধু সিনেমায় শুভর গেটআপ আমার ভালো লেগেছে। মনে হয়েছে যেন বঙ্গবন্ধুই দাঁড়িয়ে আছেন।

ঝন্টু বলেন, ‘অনেক ভালো নির্মাতা রয়েছেন বাংলাদেশে। যেমন মরহুম আজিজুর রহমান, যদিও উনি চলে গেলেন। কাজী হায়াত ছিলেন, আলমগীর সাহেব ছিলেন,

হয়তো তারাও ভালো নির্মাণ করতে পারতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেহেতু মনে করেছেন শ্যাম বেনেগাল ভালো করতে পারেন। তাই উনাকে দিয়েছেন। আমি মনে করি উনি যেটা নির্মাণ করতে চেয়েছেন সেটা পেরেছেন। উনাকে নিয়ে সমালোচনার কিছু নেই। ’

তিনি বলেন, ‘আমি ট্রেলার দেখে বুঝেছি, একটা সিনেমাতে মূলত যা বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, সেটা বোঝাতে পারলেই হলো। বঙ্গবন্ধু সিনেমায় শুভর গেটআপ আমার ভালো লেগেছে। মনে হয়েছে যেন বঙ্গবন্ধুই দাঁড়িয়ে আছেন।

আর চশমার ভুল যেটা ধরা হচ্ছে, সেটা দৃশ্য পরিবর্তন হলে, হতেই পারে। এছাড়াও মাইক্রোফোনের ভুল রয়েছে। হ্যাঁ, এমনকিছু ভুল রয়েছে। এসব ছাড়াও আমার কাছে ভালো লেগেছে ট্রেলার। যেটা শো করার চেষ্টা করা হয়েছে সেটা আছে।

About admin

Check Also

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতলেন দীঘি

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ফেম অ্যাওয়ার্ড (বাইফা) ২০২২-এর ওয়েব ফিল্মের সেরা অভিনেত্রীর ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে প্রার্থনা ফারদিন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.