কোরবানির গরু তছনছ করলো দোকান, অল্পের জন্য রক্ষা! (দেখুন ভিডিও সহ)

আসছে ঈদ উল আযহা। আমরা সাধারণত: এই ঈদকে কোরবানির ঈদ বলে থাকি। ঈদ উল ফেতর থেকে ঈদ উল আযহার আয়োজন, ধর্মীয় আচার ও তাৎপর্য ভিন্ন। ধর্মীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য সামাজিক সিদ্ধান্তে ঈদ উল ফেতরের চেয়ে বেশ খানিকটা আগেই ঈদ উল আযহার নামাজ সেরে ফেলা হয়।

নামাজ শেষে শুরু হয় পশু কোরবানি। আমাদের দেশের মানুষ গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ ইত্যাদি কোরবানির পশু হিসেবে জবেহ করে থাকে। এ সব পশুর মধ্যে গরু ও ছাগল সহজলভ্য হওয়ায় বেশি কোরবানি হয়ে থাকে।

যে সব মুসলিম কোরবানি দেয়ার নিয়্যত করেন তারা আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন অনেক আগে থেকেই। একইভাবে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশে অনেক মানুষ রয়েছে যারা বাড়তি একটু আয়ের আশায় গরু-ছাগল লালন-পালন অথবা মোটাতাজাকরণ করে থাকে।

দু’দশটি গরুর মাঝে দু’একটি করে ষাড় খৈল-ভূষি খাইয়ে অনেক কষ্টে ও যত্নে লালন-পালন করে থাকে দেশের অনেক কৃষক। ঈদকে ঘিরে এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি আয়ের একটি বড় উৎস। এই গরুর আয় থেকে এদের রয়েছে সংসারের জন্য নানা চিন্তা ভাবনা।

আবার মাঝারি ও বড় মাপের কৃষক ও খামারি গরু মোটাতাজাকরণ করছে বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। তাদের লক্ষ্য সারা বছরের একটা আয় বা মুনাফা করবে কোরবানির ঈদ থেকে। সেভাবেই মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগ করেছে কোরবানির ঈদকে ঘিরে তারা।

এসব কৃষক, খামারি তাদের মোটাতাজাকরণ করা পশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে রীতিমত। তাদের ধারণা করোনা পরিস্থিতি ঈদ পর্যন্ত গড়ালে পশু বিক্রি হবে না। সঠিক দাম পাওয়া যাবে না। আর এ কারণেই মোটা অংকের লোকসান গুণতে হবে তাদের।

আসছে ঈদ উল আযহা। আমরা সাধারণত: এই ঈদকে কোরবানির ঈদ বলে থাকি। ঈদ উল ফেতর থেকে ঈদ উল আযহার আয়োজন, ধর্মীয় আচার ও তাৎপর্য ভিন্ন। ধর্মীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য সামাজিক সিদ্ধান্তে ঈদ উল ফেতরের চেয়ে বেশ খানিকটা আগেই ঈদ উল আযহার নামাজ সেরে ফেলা হয়।

নামাজ শেষে শুরু হয় পশু কোরবানি। আমাদের দেশের মানুষ গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ ইত্যাদি কোরবানির পশু হিসেবে জবেহ করে থাকে। এ সব পশুর মধ্যে গরু ও ছাগল সহজলভ্য হওয়ায় বেশি কোরবানি হয়ে থাকে।

যে সব মুসলিম কোরবানি দেয়ার নিয়্যত করেন তারা আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন অনেক আগে থেকেই। একইভাবে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশে অনেক মানুষ রয়েছে যারা বাড়তি একটু আয়ের আশায় গরু-ছাগল লালন-পালন অথবা মোটাতাজাকরণ করে থাকে।

দু’দশটি গরুর মাঝে দু’একটি করে ষাড় খৈল-ভূষি খাইয়ে অনেক কষ্টে ও যত্নে লালন-পালন করে থাকে দেশের অনেক কৃষক। ঈদকে ঘিরে এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের বাড়তি আয়ের একটি বড় উৎস। এই গরুর আয় থেকে এদের রয়েছে সংসারের জন্য নানা চিন্তা ভাবনা।

আবার মাঝারি ও বড় মাপের কৃষক ও খামারি গরু মোটাতাজাকরণ করছে বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গিতে। তাদের লক্ষ্য সারা বছরের একটা আয় বা মুনাফা করবে কোরবানির ঈদ থেকে। সেভাবেই মোটা অংকের অর্থ বিনিয়োগ করেছে কোরবানির ঈদকে ঘিরে তারা।

এসব কৃষক, খামারি তাদের মোটাতাজাকরণ করা পশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে রীতিমত। তাদের ধারণা করোনা পরিস্থিতি ঈদ পর্যন্ত গড়ালে পশু বিক্রি হবে না। সঠিক দাম পাওয়া যাবে না। আর এ কারণেই মোটা অংকের লোকসান গুণতে হবে তাদের।

https://fb.watch/e67MawADGN/

About admin

Check Also

৫ লাখ টাকার সাথে পালসার বাইক চেয়েছিল মামুন, অশান্তিতে ছিলেন খায়রুন নাহার

নাটোরের গুরুদাসপুরে শিক্ষিকা খায়রুন নাহার নাসরিনের (৪০) ঝুল’ন্ত ম’রদে’হ উ’দ্ধা’রের ঘটনায় স্বামী মামুনের দা’য় দেখছেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.