৩৫ বছর অপেক্ষা করার পর 55 বছর বয়সে মা হলেন, একসাথে জন্ম দিলেন তিন সন্তান

মা হওয়া এক বিবাহিত মহিলার জীবনের সবথেকে সুখের মুহূর্ত। অনেকেই বিয়ের পরপরই গর্ভধারণকরতে চান আবার অনেকে চান একটু দেরিতে। এমনই এক মহিলার কথা আপনাদের আজ বলব যিনিবিয়ের দুবছর পর থেকেই সন্তান ধারন করার চেষ্টা করেন কিন্তু অসফল হন আর আজ তিন সন্তানের মা।

এই কাহিনি হয়ত অনেক মহিলার মনে আশার সঞ্চার জাগাতে পারে। মহিলাটির নাম সিসি। তিনি এর্ণাকুমালেরমুবাটুপুজহার সাবিন হাসপাতলে তিন সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। সিসি জানান সন্তান ধারণ করতে না পারার কষ্ট এক মহিলার জন্য অসহনীয়।

সন্তান ধারণের জন্য অনেক মন্দির ও হাসপাতাল ঘুরেও যখন কিছুই হয় না সেই সময় এক মেয়ের উপর দিয়ে কি যায় তা বোঝানো সম্ভব নয়।তিনি আরো জানান আজ তাদের প্রার্থনা ভগবান শুনেছেন, এত বছরের কষ্ট আর পরিশ্রমের মূল্য তারা পেয়েছেন। সিসি জানান তিনি বিয়ের দুবছর পর থেকেই সন্তান ধারণের চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু

যখন কিছুই সম্ভব হচ্ছিল না তখন তিনি ডাক্তার দেখান। অনেক চিকিৎসার পরেও তিনি সন্তান ধারণে সক্ষম হন না। এরপর 35 বছর কেটে যায় এই ভাবেই। হঠাৎই একদিন তার ভীষণ ব্লিডিং হওয়া শুরু হয়। তখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে

জরায়ু বাদ দেওয়ার কথা বলেন। তিনি এতে ভেঙে পড়েন। কিন্তু প্রাণ বাঁচানোর জন্য এই কঠিন ডিসিশন তাদের নিতে হয়। চার মাস ধরে তার ট্রিটমেন্ট চলে। তারপর হঠাৎই একদিন তিনি জানতে পারেন তার গর্ভে সন্তান আসার কথা। এরপর সব রকম টেস্ট করালে আরো শিওর হয়ে যান তারা।

এরপরের নয় মাস কষ্ট আর আনন্দের সংমিশ্রণে কেটেছে তার। গর্ভাবস্থায় মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে যে সমস্ত পরিবর্তন আসে তা তিনি আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিলেন। এরপর সেই বহু প্রতীক্ষিত দিনটি আসে এবং

35 বছর অপেক্ষার পর একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দেন সিসি। 55 বছর বয়সে এসে তার এত বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে তা কখনও তিনি ভাবেন নি। আজ যখন তার এই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তিনি সত্যিই আপ্লুত। তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডাক্তারদের এবং ভগবান কে।।

মা হওয়া এক বিবাহিত মহিলার জীবনের সবথেকে সুখের মুহূর্ত। অনেকেই বিয়ের পরপরই গর্ভধারণকরতে চান আবার অনেকে চান একটু দেরিতে। এমনই এক মহিলার কথা আপনাদের আজ বলব যিনিবিয়ের দুবছর পর থেকেই সন্তান ধারন করার চেষ্টা করেন কিন্তু অসফল হন আর আজ তিন সন্তানের মা।

এই কাহিনি হয়ত অনেক মহিলার মনে আশার সঞ্চার জাগাতে পারে। মহিলাটির নাম সিসি। তিনি এর্ণাকুমালেরমুবাটুপুজহার সাবিন হাসপাতলে তিন সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। সিসি জানান সন্তান ধারণ করতে না পারার কষ্ট এক মহিলার জন্য অসহনীয়।

সন্তান ধারণের জন্য অনেক মন্দির ও হাসপাতাল ঘুরেও যখন কিছুই হয় না সেই সময় এক মেয়ের উপর দিয়ে কি যায় তা বোঝানো সম্ভব নয়।তিনি আরো জানান আজ তাদের প্রার্থনা ভগবান শুনেছেন, এত বছরের কষ্ট আর পরিশ্রমের মূল্য তারা পেয়েছেন। সিসি জানান তিনি বিয়ের দুবছর পর থেকেই সন্তান ধারণের চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু

যখন কিছুই সম্ভব হচ্ছিল না তখন তিনি ডাক্তার দেখান। অনেক চিকিৎসার পরেও তিনি সন্তান ধারণে সক্ষম হন না। এরপর 35 বছর কেটে যায় এই ভাবেই। হঠাৎই একদিন তার ভীষণ ব্লিডিং হওয়া শুরু হয়। তখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে

জরায়ু বাদ দেওয়ার কথা বলেন। তিনি এতে ভেঙে পড়েন। কিন্তু প্রাণ বাঁচানোর জন্য এই কঠিন ডিসিশন তাদের নিতে হয়। চার মাস ধরে তার ট্রিটমেন্ট চলে। তারপর হঠাৎই একদিন তিনি জানতে পারেন তার গর্ভে সন্তান আসার কথা। এরপর সব রকম টেস্ট করালে আরো শিওর হয়ে যান তারা।

এরপরের নয় মাস কষ্ট আর আনন্দের সংমিশ্রণে কেটেছে তার। গর্ভাবস্থায় মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে যে সমস্ত পরিবর্তন আসে তা তিনি আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিলেন। এরপর সেই বহু প্রতীক্ষিত দিনটি আসে এবং

35 বছর অপেক্ষার পর একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দেন সিসি। 55 বছর বয়সে এসে তার এত বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে তা কখনও তিনি ভাবেন নি। আজ যখন তার এই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তিনি সত্যিই আপ্লুত। তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডাক্তারদের এবং ভগবান কে।।

About admin

Check Also

৫ লাখ টাকার সাথে পালসার বাইক চেয়েছিল মামুন, অশান্তিতে ছিলেন খায়রুন নাহার

নাটোরের গুরুদাসপুরে শিক্ষিকা খায়রুন নাহার নাসরিনের (৪০) ঝুল’ন্ত ম’রদে’হ উ’দ্ধা’রের ঘটনায় স্বামী মামুনের দা’য় দেখছেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published.