বাসা থেকে নারী সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার একটি বাড়ি থেকে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের সাবেক সহ-সম্পাদক সোহানা তুলির (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ জুলাই) ২৯৯/৫ শেরে বাংলানগর, রায়ের বাজারে ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল রায়ের বাজারের শেরেবাংলা নগর রোডের ২৯৯/৫ বাসার দ্বিতীয় তলা। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত জব্দের কাজ শুরু করেছে।

জানা গেছে, বুধবার সকালে নন্দীতা তাবাসসুম নামে এক বান্ধবী তাকে ফোনে পাচ্ছিলেন না। ফোনে সাড়া না পেয়ে তিনি হাজারীবাগে তুলির বাসায় আসেন। দরজায় নক করে সাড়া না পেয়ে নিরাপত্তারক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে ভেতরে ঢোকেন। বাসায় ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় সোহানাকে দেখে সবাইকে জানান নন্দীতা। বিকেলে পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে।

সোহানা তুলির ছোট ভাই মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, গতকাল যশোর থেকে ঢাকায় এসে এক বন্ধুর বাসায় উঠি। সর্বশেষ গতকাল দুপুরে আপুর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বুধবার সকালে উঠে খিলক্ষেতে যাই। সেখানে ৩টার দিকে আব্বু ফোন করে ঘটনা জানান।

তুলির বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। ২০১৮ সাল থেকে তিনি রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহানা তুলি সাংবাদিকতা ছেড়ে মনোহর নামে একটি অনলাইন শপ খুলে সেখানে মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রি করতেন।

ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার একটি বাড়ি থেকে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের সাবেক সহ-সম্পাদক সোহানা তুলির (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ জুলাই) ২৯৯/৫ শেরে বাংলানগর, রায়ের বাজারে ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল রায়ের বাজারের শেরেবাংলা নগর রোডের ২৯৯/৫ বাসার দ্বিতীয় তলা। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত জব্দের কাজ শুরু করেছে।

জানা গেছে, বুধবার সকালে নন্দীতা তাবাসসুম নামে এক বান্ধবী তাকে ফোনে পাচ্ছিলেন না। ফোনে সাড়া না পেয়ে তিনি হাজারীবাগে তুলির বাসায় আসেন। দরজায় নক করে সাড়া না পেয়ে নিরাপত্তারক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে ভেতরে ঢোকেন। বাসায় ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় সোহানাকে দেখে সবাইকে জানান নন্দীতা। বিকেলে পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে।

সোহানা তুলির ছোট ভাই মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, গতকাল যশোর থেকে ঢাকায় এসে এক বন্ধুর বাসায় উঠি। সর্বশেষ গতকাল দুপুরে আপুর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বুধবার সকালে উঠে খিলক্ষেতে যাই। সেখানে ৩টার দিকে আব্বু ফোন করে ঘটনা জানান।

তুলির বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। ২০১৮ সাল থেকে তিনি রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহানা তুলি সাংবাদিকতা ছেড়ে মনোহর নামে একটি অনলাইন শপ খুলে সেখানে মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রি করতেন।

About admin

Check Also

উত্তরায় বিস্ফোরণে দগ্ধ একে একে ৮ জনেরই মৃত্যু

রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়ায় ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৮ জনের ই মৃত্যু ঘটেছে। সর্বশেষ শুক্রবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.