কক্সবাজারে জমজমাট দেহ ব্যবসা, খদ্দেরসহ আটক ২০

ঈদ এবং এর পরবর্তিতে কক্সবাজারে বিভিন্ন হোটেল, বোডিং এ চলছে জমজমাট দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে এই অবৈধ কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে প্রসাশনের তৎপরতায় কিছু সংখ্যাক ধরা পরলেও রাঘব বোয়ালরা থেকে যায় অন্তরালেই।

কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম এলাকায় তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২০ নারী-পুরুষে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত ৮ থেকে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার বিকালে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্র জানায়, শহরের আলোচিত লালদিঘী পাড়ের পাঁচতারা হোটেল, নজরুল বোডিং ও আহসান বোডিং নামের আবাসিক হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অপরাধে ১১ খদ্দেরসহ ২০ জনকে আটক করা হয়। আটককৃদদের মধ্যে পেশাদার পতিতা ছাড়াও স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।

পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন আটকসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি করেন। একটি সামাজিকভাবে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত শহর গড়তে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

ঈদ এবং এর পরবর্তিতে কক্সবাজারে বিভিন্ন হোটেল, বোডিং এ চলছে জমজমাট দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে এই অবৈধ কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে প্রসাশনের তৎপরতায় কিছু সংখ্যাক ধরা পরলেও রাঘব বোয়ালরা থেকে যায় অন্তরালেই।

কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম এলাকায় তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২০ নারী-পুরুষে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত ৮ থেকে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার বিকালে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্র জানায়, শহরের আলোচিত লালদিঘী পাড়ের পাঁচতারা হোটেল, নজরুল বোডিং ও আহসান বোডিং নামের আবাসিক হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অপরাধে ১১ খদ্দেরসহ ২০ জনকে আটক করা হয়। আটককৃদদের মধ্যে পেশাদার পতিতা ছাড়াও স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।

পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন আটকসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি করেন। একটি সামাজিকভাবে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত শহর গড়তে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

ঈদ এবং এর পরবর্তিতে কক্সবাজারে বিভিন্ন হোটেল, বোডিং এ চলছে জমজমাট দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে এই অবৈধ কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে প্রসাশনের তৎপরতায় কিছু সংখ্যাক ধরা পরলেও রাঘব বোয়ালরা থেকে যায় অন্তরালেই।

কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম এলাকায় তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ২০ নারী-পুরুষে আটক করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত ৮ থেকে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। শনিবার বিকালে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্র জানায়, শহরের আলোচিত লালদিঘী পাড়ের পাঁচতারা হোটেল, নজরুল বোডিং ও আহসান বোডিং নামের আবাসিক হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সেখানে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অপরাধে ১১ খদ্দেরসহ ২০ জনকে আটক করা হয়। আটককৃদদের মধ্যে পেশাদার পতিতা ছাড়াও স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীও রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।

পরিদর্শক ওসি (তদন্ত) মো.সেলিম উদ্দিন আটকসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি করেন। একটি সামাজিকভাবে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত শহর গড়তে প্রশাসনের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

About admin

Check Also

মারে কী জবাব দিবো, ভাইয়ের তো মেডিকেল করার ডেট ছিল’

মারে কী জবাব দিবো? ভাইয়ের তো মেডিকেল করার ডেট ছিল। আমি শেষ হইয়া গেলাম ভাই। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.