ফেসবুকে লাইভ হয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া! আবাসন ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন শ্রীলেখা মিত্র(ভি’ডিও সহ)

বরাবর স্পষ্টবাদী স্বভাবের মানুষ শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। শিল্পী, স্বভাবতই সংবেদনশীল। তবে তার সংবেদনশীলতা মূল্য দিতে জানে না তারই আবাসনের পড়শীরা! শ্রীলেখা পথপশুদের ভালোবাসেন, তাদের যত্ন নেন। এই তার অপরাধ। আর এই অপরাধের শাস্তি দিতে মরিয়া ওই আবাসনের নামিদামী ফ্লাটের আবাসিকরা! কারণ তাদের রাজপ্রাসাদে পথপশুদের কোনও জায়গা নেই।

অথচ তাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশি সারমেয় ভক্ত। ঘরেও পোষেন। আপত্তি শুধু পথপশুদের নিয়ে। তাদের দাবি, পথের সারমেয়রা বিভিন্ন রোগ জীবাণু বহন করে। তাই তাদের আবাসনের মধ্যে আনা যাবে না।

যদিও শ্রীলেখার দাবি, তিনি তার পোষ্যদের নিয়মিত টিকাকরণ করিয়েছেন। তবুও তারা বারবার এই নিয়ে শ্রীলেখার সঙ্গে ঝামেলা বাঁধিয়েছেন। তবে এবার বিতর্ক এমন চরমে উঠলো যে শেষমেষ আবাসন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রীলেখা।

ঠিক কী ঘটেছিল? এদিন ২ বার লাইভে আসেন শ্রীলেখা। প্রথম লাইভে দেখা যায় পড়শীদের সঙ্গে কোমর বেঁধে ঝগড়া করছেন অভিনেত্রী। প্রায় ৮-১০ জন তাকে ঘেরাও করেছে। উদ্ধত স্বরে তারা কথা বলছেন শ্রীলেখার সঙ্গে।

শ্রীলেখাও হারিয়েছেন মেজাজ। কথোপকথন থেকে বোঝা গেল, শ্রীলেখার এক পোষ্য কোনও এক আবাসিকের মেয়েকে জখম করেছে। সেই আবাসিক নাকি সেই সারমেয়কে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার কথা বলেছেন!

এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হয় হম্বিতম্বি। একটি কিছুক্ষণ পরেই শ্রীলেখা আরেকটি লাইভ করেন। সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। কান্না ভেজা স্বরে তিনি জানান,

তিনি এই আবাসনে এমন পড়শীদের সঙ্গে আর থাকতে পারছেন না। সারমেয়দের নিয়ে প্রতিনিয়ত তার সঙ্গে ঝামেলা করে চলেছে পড়শীরা। সদ্য শ্রীলেখার পিতৃবিয়োগ হয়েছে। সেই শোকের মাঝেও এই অশান্তি তিনি আর নিতে পারছেন না।

কাঁদতে কাঁদতে শ্রীলেখা কোনওরকমে বলেন, “আমি কিছু দিন আগে বাবাকে হারিয়েছি। সবকিছু মিলিয়ে মানসিকভাবে ভালো নেই। মুখের উপর অপ্রিয় সত‌্যটা বলে দিই। এ নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অনেককে চটিয়েছি। আসলে আমার একার পক্ষে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।

আমি আমার রক্ত পানি করা টাকা দিয়ে এই ফ্ল‌্যাটটি কিনেছি। কিন্তু এখানে আর থাকব না। এই কমপ্লেক্স ছেড়ে দেব”।পড়শীদের উপর রোষ উগরে তিনি আরও বলেছেন, “আমি একটি কমপ্লেক্সে থাকি। গত সেপ্টেম্বরে এই কমপ্লেক্সে উঠেছি।

এটাকে বড়লোকদের বস্তি বলব। তারা মনে করে, কমপ্লেক্স মানে সেখানে বাইরের কোনো কুকুর আসতে পারবে না। আসার পর থেকে পড়শিদের সঙ্গে এসব নিয়ে লেগেই আছে। আমার সঙ্গে কেউ কথা বলে না। আমাকে অশান্তিতে রাখার নানা পরিকল্পনা করছে তারা”।

https://www.facebook.com/1376432968/videos/3125959620969940/

About admin

Check Also

চিড়িয়াখানার খাচা গাড়িতে দর্শকদের কে দেখছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বাঘের বন্ধুত্ব পূর্ণ ভঙ্গিমা’র ভিডিওটি তুমুল ভাই’রাল

বাঘ সহসা বাধ্য না হলে খাঁচার মতো আবদ্ধ জায়গায় ঢুকতে সাহস করে না। এমনকি মানুষখেকো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *