শিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল(ভিডিও সহ)

পাবনার সুজানগর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষিকাসহ অভিযুক্ত অপর দুই শিক্ষককে বদলির সুপারিশ করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটি।

এর মধ্যে একজন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং অপরজন হলেন উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের রাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
এদিকে স্কুলশিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকদের এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার জানান, এ ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হওয়ায় অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষিকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আলম হোসেন নামক ওই বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় এ বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি শাহীনুজ্জামান শাহীন যুগান্তরকে জানান, প্রাথমিকভাবে শিক্ষা কমিটির সভায় অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষিকার বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনাটি সত্য বলে মনে হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান মো. রওশন আলী বলেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই শিক্ষিকাসহ অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষককে দ্রুত বদলির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে শিক্ষিকাসহ দুই শিক্ষককে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে অভিযুক্তরা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও এলাকাবাসীর ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল জব্বার জানান, এ ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হওয়ায় অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষিকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আলম হোসেন নামক ওই বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় এ বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি শাহীনুজ্জামান শাহীন যুগান্তরকে জানান, প্রাথমিকভাবে শিক্ষা কমিটির সভায় অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষিকার বক্তব্য ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনাটি সত্য বলে মনে হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান মো. রওশন আলী বলেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই শিক্ষিকাসহ অভিযুক্ত দুই স্কুলশিক্ষককে দ্রুত বদলির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে শিক্ষিকাসহ দুই শিক্ষককে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে অভিযুক্তরা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও এলাকাবাসীর ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেন।

About admin

Check Also

বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শ্রাবন্তী

প্রতিদিন সড়কে ঝরে যাচ্ছে একাধিক প্রাণ। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ হলেও সময় গড়াতেই এসব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *