ব্রেকিং নিউজঃ অহংকারের কারণে দল থেকে ছিটকে যাচ্ছে রশিদ খান

আইপিএলের আগামী আসরের জন্য ব্যস্ততা শুরু হয়ে গিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে। আইপিএল রিটেনশনের ডেডলাইন যত এগিয়ে আসছে, ততই ফ্র্যাঞ্চাইজি মহলে তৎপরতা বাড়ছে। মেগা নিলামের আগে যদি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি সবথেকে খুশি থাকে, তাহলে তা নির্ঘাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

বিতর্কে জর্জরিত হায়দরাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজি আইপিএলে শেষে ফিনিশ করা কার্যত অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। এমন অবস্থায় মেগা নিলামে ভালো করে দল গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে হায়দরাবাদ। ডেভিড ওয়ার্নারের অপমান বিতর্কে গোটা মরশুম ধরেই শিরোনামে হায়দরাবাদ।

এবার নতুন করে ফ্র্যাঞ্চাইজিট মাথা ব্যথা বাড়াচ্ছে রিটেনশন নীতি নিয়ে। কোন ক্রিকেটার সানরাইজার্সের প্ৰথম রিটেনশন হবে, তা এখনও ঠিক করতে পারেনি দল। সর্বোচ্চ চার জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা গেলেও হায়দরাবাদ দুজনের বেশি ক্রিকেটারকে রিটেন করার পথে হাঁটবে না।

এই দুই ক্রিকেটারের নামও চূড়ান্ত করে ফেলেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি- রশিদ খান এবং কেন উইলিয়ামসন। ক্রিকবাজ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এক নম্বর রিটেনশন হিসাবে ধরে রাখতে চাইছে কেন উইলিয়ামসনকে।

দ্বিতীয় বাছাই রশিদ খান। নিয়ম অনুযায়ী, প্ৰথম রিটেনশনের ক্ষেত্রে বেতন বেশি দিতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। দ্বিতীয় রিটেনশন আবার প্ৰথমের থেকে বেতন অনেকটাই কমে পাবে। প্ৰথম এবং দ্বিতীয় রিটেনশনের ক্ষেত্রে বেতনের ফারাক হবে প্রায় ৪ কোটি টাকা।

এই কারণেই রশিদ খান দলের একনম্বর রিটেনশন হতে চাইছেন। যাতে কেন উইলিয়ামসনের থেকে তাঁর বেতন বেশি হয়। এমনিতে রশিদ খান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের একনম্বর বোলিং অস্ত্র। ভারতীয় পিচে রশিদ খানের ঘূর্ণি বিপক্ষকে।বধ করার অব্যর্থ টোটকা। ধারাবাহিকভাবে হায়দরাবাদের জার্সিতে সফল আফগান সুপারস্টার।

অন্যদিকে, কেন উইলিয়ামসন আবার ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক। বিশ্বক্রিকেটে তিন ফরম্যাটেই কিউয়ি তারকার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। এমন অবস্থায় কোন তারকাকে প্ৰথম রিটেনশন বাছা হবে, তা ঠিক করতে ফ্র্যাঞ্চাইজির কার্যত চুল ছেঁড়ার দশা।

জানা যাচ্ছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিট শীর্ষকর্তারা আপাতত রশিদ খানের সঙ্গে কথাবার্তা জারি রেখেছেন। দ্বিতীয় রিটেনশন না হতে চাইলে রশিদ খান দর বাড়ানোর জন্য সরাসরি নিলামের টেবিলে উঠতে চাইবেন। রশিদ খানকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করার জন্য হাতে বেশি সময়ও নেই হায়দরাবাদের।

৩০ নভেম্বরের মধ্যেই রিটেনশনের তালিকা জমা দিতে হবে বোর্ডের কাছে। তবে রশিদ খানকে বোঝানোর ক্ষেত্রে সানরাইজার্স ব্যর্থ হলে, নিলামের আগেই লখনৌ অথবা আহমেদাবাদের মত ফ্র্যাঞ্চাইজি রশিদ খানকে বড় অর্থের বিনিময়ে কিনে নিতে পারে।

কেএল রাহুল, শ্রেয়স আইয়ার, ডেভিড ওয়ার্নার, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়ার মত তারকাদের রিলিজ করে দেবে সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। এই তালিকায় রশিদ খানের নাম যোগ হয় কিনা, সেটাই আপাতত দেখার। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

About admin

Check Also

১২ বছর ধরে খেলছি, আমিও তো সিনিয়র ক্রিকেটার: রুবেল

বাংলাদেশে একজন এক্সপ্রেস বোলারের হাহাকার আজীবনের। যার সেই সামর্থ্য ছিল, সেই মাশরাফি বিন মুর্তজা একের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *