১২০ কেজি ওজনের বিশার মাছ ধরে তাক লাগালো ভাইরাল ভিডিও

এর স্থানীয় নাম মজগু’র, মচকুর বা মাগু’র। আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত।… এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগু’র মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সা’পের মত চলাচল করতে পারে।

এই মাছের অতিরিক্ত শ্বা’সযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বা’স নিতে পারে।মাগু’র বাংলাদেশের বহুল প্রচলিত মাছগু’লোর মধ্যে একটি যার মূল প্রা’প্ত িস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।এর স্থানীয় নাম মজগু’র, মচকুর বা মাগু’র।

আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত। এই নামের কারণ হলো এটি শুষ্ক মাটির উপর দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ বা খাদ্য সংগ্রহের জন্য হেঁটে যেতে পারে।এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগু’র মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সা’পের মত চলাচল করতে পারে।

এই মাছের অতিরিক্ত শ্বা’সযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বা’স নিতে পারে।মাগু’র মাছ বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মায়ানমা’র, থাইল্যান্ড, ইন্দোচীন, ফিলিপাইন, হংকং, দক্ষিণ চীন এবং ইন্দোনেশিয়াতে পাওয়া যায়।[২] এটি

মূলতঃ গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ এবং পানির তাপমাত্রা ১০-২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা। মাছ সাধারণত পানির তলদেশে খাল, বিল, নদী-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেতের কর্দমাক্ত পানি এমনকি উপকূলীয় এলাকায় ঈষৎ লোনা পানিতে স্বাভা’বিকভাবে বিচরণ করে।

মাগু’র মাছ প্রধানত পুকুরের তলদেশ থেকে খাবার খায়। ছোট অবস্থায় সবুজ কণা ও প্রাণীকণা, আধাপচা পাতা, কীট, জলজ সন্ধিপদ প্রাণী, পতঙ্গ খায়। প্রা’প্ত বয়ষ্ক মাছ বিভিন্ন পোকামাকড়, শূককীট বা মূককীট, জলদ উদ্ভিদ

এর স্থানীয় নাম মজগু’র, মচকুর বা মাগু’র। আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত।… এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগু’র মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সা’পের মত চলাচল করতে পারে।

এই মাছের অতিরিক্ত শ্বা’সযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বা’স নিতে পারে।মাগু’র বাংলাদেশের বহুল প্রচলিত মাছগু’লোর মধ্যে একটি যার মূল প্রা’প্ত িস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।এর স্থানীয় নাম মজগু’র, মচকুর বা মাগু’র।

আন্তর্জাতিকভাবে এটি ওয়াকিং ক্যাটফিস নামে পরিচিত। এই নামের কারণ হলো এটি শুষ্ক মাটির উপর দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশ বা খাদ্য সংগ্রহের জন্য হেঁটে যেতে পারে।এই বিশেষ হাঁটার জন্য মাগু’র মাছের বুকের কাছে পাখনা থাকে যা ব্যবহার করে এটি সা’পের মত চলাচল করতে পারে।

এই মাছের অতিরিক্ত শ্বা’সযন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এটি বাতাস থেকে শ্বা’স নিতে পারে।মাগু’র মাছ বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মায়ানমা’র, থাইল্যান্ড, ইন্দোচীন, ফিলিপাইন, হংকং, দক্ষিণ চীন এবং ইন্দোনেশিয়াতে পাওয়া যায়।[২] এটি

মূলতঃ গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছ এবং পানির তাপমাত্রা ১০-২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা। মাছ সাধারণত পানির তলদেশে খাল, বিল, নদী-নালা, হাওড়-বাওড়, ধান ক্ষেতের কর্দমাক্ত পানি এমনকি উপকূলীয় এলাকায় ঈষৎ লোনা পানিতে স্বাভা’বিকভাবে বিচরণ করে।

মাগু’র মাছ প্রধানত পুকুরের তলদেশ থেকে খাবার খায়। ছোট অবস্থায় সবুজ কণা ও প্রাণীকণা, আধাপচা পাতা, কীট, জলজ সন্ধিপদ প্রাণী, পতঙ্গ খায়। প্রা’প্ত বয়ষ্ক মাছ বিভিন্ন পোকামাকড়, শূককীট বা মূককীট, জলদ উদ্ভিদ

About admin

Check Also

বউয়ের চেয়ে শাশুড়ি ভালো তাই শা’শুড়িকে বিয়ে করেছিঃ মোনছের আলী

মাত্র ১১ দিন আগে ধূ’মধাম করে বিয়ে হয়েছিল নূ’রন্নাহার খা’তুনের (১৯)। শ্ব’শুরবা’ড়িতে এক সপ্তাহ অ’বস্থানের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.