দুর্ঘটনার কবলে পড়ল প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে আসা নৌকা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি, এবং তার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়নের পথে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ! তাই বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ যেন দেহ ও আত্মার মত এক অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের কাছে!

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসার কারণে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই নৌকা উপহার দিতে চেয়েছিলেন বাগেরহাটের কেশবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর গোটাপাড়া এলাকার মৃত সিকান্দার আলীর ছেলে দিনমজুর আইয়ুব আলী।

গত ২৯ নভেম্বর (সোমবার) বাগেরহাট থেকে রওনা হয়ে বৃহস্পতিবার (০২ ডিসেম্বর) রাতে নৌকা নিয়ে সড়ক পথে ঢাকায় পৌঁছালে কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকেসহ নৌকাটিকে ধাক্কা দিলে নৌকার চাকা ভেঙে খাদে পড়ে যায়, এতে আহত হন আইয়ুব আলী এবং নৌকাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) হাসপাতাল থেকে ফিরে তিনি দেখতে পান নৌকায় থাকা সাউন্ড সিস্টেম, লাইট, মোটর, মেমোরি, জাতীয় পতাকা, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ব্যানারসহ যাবতীয় মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে।

পুলিশ নৌকাটি উদ্ধার করায় রেকার খরচও দিতে হয়েছে দেড় হাজার টাকা। রাতদিন রিকশা চালিয়ে ছয় মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে আড়াই লাখ টাকা খরচ করে পরম যত্নে বানানো নৌকাটি এখন পড়ে আছে কেরানীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসের আনোয়ারা ফিলিং স্টেশনের পাশে।

তিনি বলেন, আমি নৌকা পাগল মানুষ, আমি বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসি। তাদের ভালোবেসে ২০১৭ সালে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ করে ডাঙায় চলাচলের উপযোগী একটি নৌকা বানিয়ে শাহবাগ

ধানমন্ডি, গুলিস্তানসহ রাজপথে চালিয়ে নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে কাজ করেছি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ এ নৌকাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হলো না। তবে যত কষ্টই হোক আমি এটা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হিসেবে দিতে চাই।

৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) হাসপাতাল থেকে ফিরে তিনি দেখতে পান নৌকায় থাকা সাউন্ড সিস্টেম, লাইট, মোটর, মেমোরি, জাতীয় পতাকা, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ব্যানারসহ যাবতীয় মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে।

পুলিশ নৌকাটি উদ্ধার করায় রেকার খরচও দিতে হয়েছে দেড় হাজার টাকা। রাতদিন রিকশা চালিয়ে ছয় মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে আড়াই লাখ টাকা খরচ করে পরম যত্নে বানানো নৌকাটি এখন পড়ে আছে কেরানীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসের আনোয়ারা ফিলিং স্টেশনের পাশে।

তিনি বলেন, আমি নৌকা পাগল মানুষ, আমি বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসি। তাদের ভালোবেসে ২০১৭ সালে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ করে ডাঙায় চলাচলের উপযোগী একটি নৌকা বানিয়ে শাহবাগ

ধানমন্ডি, গুলিস্তানসহ রাজপথে চালিয়ে নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে কাজ করেছি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ এ নৌকাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হলো না। তবে যত কষ্টই হোক আমি এটা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হিসেবে দিতে চাই।

সুত্রঃ বিডি২৪রিপোরট

About admin

Check Also

বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেন ডা. তাসনিম জারা!

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সুপাইরভাইজার (আন্ডারগ্রাজুয়েট) হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের চিকিৎসক ডা. তাসনিম জারা।= গত সোমবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *